মুসা (আ.)-এর যুগে বৃষ্টি প্রার্থনার পর যে কারণে গরম বেড়ে গিয়েছিল

২৬ এপ্রিল ২০২৪, ১১:১৯ AM , আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২৫, ০৪:১৬ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

মহান আল্লাহ প্রত্যেক নবী-রাসূলকে বিশেষ গুণ-বৈশিষ্ট্যের অধিকারী করে পৃথীবিতে পাঠিয়েছিলেন। নবী মুসা (আ.)- এর বৈশিষ্ট্য ছিলো তিনি আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ লাভ করেছিলেন। পবিত্র কোরআনে মুসা (আ.) এর আগুন দেখা ও আল্লাহর সাথে কথা বলবার ঘটনাটি বিভিন্ন সুরায়ও বিভিন্নভাবে আছে।

হযরত মুসা (আ.)-এর যুগে একবার দীর্ঘদিন বৃষ্টি বন্ধ ছিলো। তখন তিনি তার উম্মতের অনুরোধে বৃষ্টির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। তিনি প্রার্থনা করার পর উল্টো গরম বেড়ে গিয়েছিল। তখন তিনি আল্লাহকে এমন পরিস্থিতির কথা জিজ্ঞেস করলেন। আল্লাহ নবী মুসাকে তার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন। পরোক্ষণেই বৃষ্টি নামতে লাগলো। এতে অবাক হয়েছিলেন নবী মুসা (আ.)।

এই ঘটনাটি শায়েখ হানিউল হাজ্জ সংকলিত ‘আলফু কিসসাতুন কিসসাতুন মিন কাসাসিস সালিহীনা ওয়াস সালিহাত’ গ্রন্থের ৪১০ নম্বর পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া শায়েখ ইবনে কুদামা আলমাকদিসী রচিত ‘আততাওয়াবীন’ গ্রন্থের ৫৫ নম্বর পৃষ্ঠায়ও একই ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

নবী মুসা (আ.)-এর যুগের বৃষ্টির ঘটনা বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে, দীর্ঘদিন বৃষ্টি বন্ধ থাকার পর নবী মুসার উম্মত বনী ইসরাইল তার কাছে এসে বললেন, ‘হে নবী, আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য দোয়া করেন, এই বৃষ্টিহীন গরম আর সহ্য হয় না’। তখন হযরত মুসা (আ.) সবাইকে নিয়ে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করতে শুরু করলেন।

তখন হজরত মুসা (আ.)-এর দোয়া করার সাথে সাথে রোদের তীব্রতা আরও বেড়ে গেলো। হযরত মুসা (আ.) অবাক হলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ, বৃষ্টির জন্য দোয়া করলাম, তুমি রোদের তেজ বাড়াইয়া দিলা।

আল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব আসলো, এই জমায়েতে এমন এক ব্যক্তি আছে, যে চল্লিশ বছর যাবত আমার নাফরমানী, আমার বিরোধীতা করেছে। একটি দিনের জন্যও আমার বাধ্য হয়নি। তার কারণেই বৃষ্টি আসা বন্ধ আছে।

হযরত মুসা (আ.) জমায়েতের দিকে তাকিয়ে, সেই অচেনা-অজানা লোকটিকে বের হয়ে যেতে বললেন। সে লোকটি ভাবলো, এখন যদি বের হয়ে যাই, তবে সবার সামনে পাপী হিসেবে লজ্জা পাবো। আর যদি থাকি, তবে বৃষ্টি আসা বন্ধ থাকবে।

নিজের ইজ্জত বাঁচানোর স্বার্থে সে আল্লাহর কাছে দোয়া করলো ‘আল্লাহ, চল্লিশ বছর আমার পাপ গোপন রেখেছেন, আজকে সবার সামনে বেইজ্জতি করবেন না। ক্ষমা চাচ্ছি’। একদিকে দোয়া শেষ হলো, অন্যদিকে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি শুরু হলো।

হযরত মুসা (আ.) আবারও অবাক হয়ে জিজ্জাসা করলেন, আল্লাহ, কেউ তো জমায়েত থেকে বের হলো না, তবে বৃষ্টি দিয়ে দিলা যে? আল্লাহ জবাব দিলেন, যার কারণে বৃষ্টি আসা বন্ধ ছিলো, তার কারণেই বৃষ্টি শুরু হলো। আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।

হযরত মুসা (আ.) জিজ্জাসা করলেন, লোকটির নাম পরিচয় তো কিছুই জানালেন না। আল্লাহ বললেন, যখন পাপে ডুবে ছিলো, তখনো জানাইনি, এখন তওবা করেছে, এখন জানাবো? পাপীদের পাপ আমি যথাসম্ভব গোপন রাখি, এটা আমার সাথে আমার বান্দার নিজস্ব ব্যাপার।

সদরঘাটে লঞ্চ সংঘর্ষ: ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
দেশের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কেমন হওয়া উচিত?
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রায় হতাহতের ঘটনায় শোক ও উদ্বেগ জামায়াত ইসলামীর
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
রাজধানীতে ১,৭৭১ ঈদ জামাত, জাতীয় ঈদগাহে বহু স্তরের নিরাপত্তা
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
আপন ভাই ও বোনকে জাকাত দেওয়া যাবে কী?
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
৭ মুসল্লি নিয়ে ঈদের নামাজ আদায়, এলাকায় চাঞ্চল্য
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence