নোটিশ ছাড়াই ওটিটিতে লাইভ টিভি বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত ৩ কোটি গ্রাহক

০৫ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৫২ PM , আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০২৫, ১২:০৬ PM

© সংগৃহীত

ঈদের আগে হঠাৎ করে দেশের জনপ্রিয় ইন্টারনেট ভিত্তিক ওভার দা টপ (ওটিটি) প্ল্যাটফর্মগুলোর লাইভ টিভি সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) থেকে দেশের জনপ্রিয় চারটি ওটিটি প্লাটফর্মের টিভির লাইভ সম্প্রচার দেখতে পারছেন না দেশের প্রায় ৩ কোটি গ্রাহক।

বন্ধ হয়ে যাওয়া চার ওটিটি প্লাটফর্ম হলো- বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেডের টফি, গ্রামীণফোনের বায়স্কোপ, রবি আজিয়াটা লিমিটেড কোম্পানির বিঞ্জ ও বঙ্গবিডির বঙ্গ।

ওটিটি অপারেটর, কনটেন্ট প্রোভাইডার এজেন্সি ও ব্রডকাস্ট কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউটররা সেবা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এর কারণ জানাতে পারেননি কেউই। এ বিষয়ে জানে না সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কিংবা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ও। 

বিনা নোটিশে এসব ওটিটি প্ল্যাটফর্মের লাইভ সম্প্রচার বন্ধের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে গ্রাহক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সংগঠন সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ এ প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন, দেশে এখনো ওটিটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়নি। নীতিমালার খসড়া যখন প্রস্তুত হচ্ছে সেই সময়ে সরকারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তির স্বার্থ চরিতার্থ করতে ইন্টারনেট ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায় এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটালি সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে চায়। সরকারের এই সুদূরপ্রসারী চিন্তার ফলে দেশে বর্তমানে যত টেলিভিশন বাজারে বিক্রি হয় সবই ইন্টারনেট ভিত্তিক। ডিশ ব্যবসায়ীদের অসহযোগিতা ও গ্রাহকদের সঙ্গে অসৎ আচরণের মাঝে এক প্রকার স্বস্তি এনে দিয়েছিল ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। গ্রাহক একটি ডিভাইসে যখন তাদের সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে সক্ষম হচ্ছে সেই সময় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করে দেয়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমরা মনে করি।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের এই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, ওটিটির গ্রাহকরা এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন প্রিমিয়াম প্যাকেজ ক্রয় করে থাকেন। অপারেটররা এরইমধ্যে গ্রাহকের কাছ থেকে এসব প্যাকেজ বাবদ অগ্রিম অর্থ আদায় করেছে। এখন গ্রাহক এসব প্ল্যাটফর্ম দেখতে না পারায় আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা ওটিটি অপারেটর, বিটিআরসি, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানাই দ্রুত এ সব প্ল্যাটফর্ম খুলে দেয়া হোক। বাংলাদেশ সরকার যখন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায় তখন মুক্ত অর্থনীতি এবং মুক্ত ইন্টারনেটের যুগে এসব প্লাটফর্ম বন্ধ করে দেয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল বলে আমরা মনে করি।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি না করলে তারা উচ্চ আদালতে যেতে বাধ্য হবেন বলেও বিবৃতিতে জানান বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের এই সভাপতি।

এদিকে দেশি-বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচার বন্ধে গত মঙ্গলবার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত এক সভার আয়োজন করা হয় সচিবালয়ে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘সরকার অনুমোদিত দেশী ও বিদেশি টিভি চ্যানেলের ফিড শুধু বৈধ কেবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারবে। তাদের বাইরে অন্য কেউ এ কাজ করলে তা বেআইনি ও অবৈধ। এ বেআইনি কাজ বন্ধে সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

 
বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে পানিতে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে প্রথম তৌকির সিদ্দিকী ইশতি
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দার সতর্কতা আইএমএফের
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে ঢাবির বাস দুর্ঘটনা, আহত ৮
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাশের হার ৩০%
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নতুন তালিকায় ৩৬ দেশে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬