বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট এসএমএস বন্ধের দাবি

০৯ মার্চ ২০২৩, ০২:০৬ PM , আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৫ AM
ডিম ও মুরগির বাজারে অস্থিরতা চলছে কয়েক সপ্তাহ ধরে

ডিম ও মুরগির বাজারে অস্থিরতা চলছে কয়েক সপ্তাহ ধরে © ফাইল ছবি

বাজারে সিন্ডিকেট, অতি মুনাফা, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও বাজার সিন্ডিকেট তৈরি করতে এসএমএস বন্ধের দাবি জানিয়েছে গ্রাহক অধিকার নিয়ে সোচ্চার সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোপন গ্রাহক এসোসিয়েশন। আজ বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।

সভাপতি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি যে বাজারে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অস্থিরতা তৈরি করতে এবং জনগণের পকেট থেকে লুটপাট করতে মোবাইল ফোনে ক্ষুদ্র এসএমএস এর মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রয়লার মুরগি মাংস ও ডিমের বাজারে যে অস্থিরতা এবং হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে জনগণের পকেট থেকে তা মুঠোফোনে ক্ষুদ্র এসএমএস এর মাধ্যমে ঘটেছে বলে প্রতীয়মান হয়।

তিনি বলেন, বিষয়টি আজকে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের পোল্ট্রি খামারিদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় আরো পরিষ্কার হয়। এ আলোচনা সভায় আমরা লক্ষ্য করলাম কাজেই ফার্মের পরিচালকের বক্তব্য থেকে বয়লার মাংসের উৎপাদন খরচ পড়ে তাদের ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। তারা বিক্রি করেন ১৯০ থেকে ২০৭ টাকা পর্যন্ত। অথচ এই মুরগি খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়। উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ডিলাররা ক্ষুদ্র এসএমএসের মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে থাকে তারা মুনাফা করছে প্রায় ৩০-৩৫টাকা।

তিনি আরও বলেন, উৎপাদনকারীদের লাভের পরিমাণ প্রায় ৪০ টাকা। আবার খুচরা বিক্রেতা গ্রাহকদের কাছ থেকে লাভ করছে প্রায় ৪০ টাকা। অর্থাৎ সবমিলিয়ে উৎপাদন খরচের চাইতে অতিরিক্ত ১০০ টাকা প্রতি কেজিতে একজন ভোক্তা বা গ্রাহককে দিতে হচ্ছে। ডিমের বাজারেও একই অবস্থা। কাজী ফার্মের এই পরিচালক এবং অন্যদের বক্তব্য অনুযায়ী তেজগাঁওয়ের ডিলাররা মুঠোফোনে এসএমএস’র মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের এসএমএসের মাধ্যমে বাজার চাহিদা ও নির্ধারিত হয়ে থাকে।

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা বাজার সিন্ডিকেটকারী কারা তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছি। আমাদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা চাইলেই এই এসএমএস পরীক্ষা করে কারা কারা, এ বাজার অস্থিরতার সঙ্গে জড়িত ছিল তা খুঁজে বের করতে পারে। কিন্তু যেহেতু বাজার নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ নয় তাই জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বা সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা দের চাহিদার ভিত্তিতে এবং প্রয়োজনে পদক্ষেপের মাধ্যমে এই ক্ষুদ্র এসএমএস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারে। রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে তাই এ সব ব্যবসায়ীর বাজার সিন্ডিকেটের এসএমএস নিয়ন্ত্রণে এখনই পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় বলে এতে মত দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদের স্বাক্ষরে এ বিবৃতি পাঠানো হয়েছে।

হামিম ছাড়াও ঢাবির আরও এক নেতাকে অব্যাহতি ছাত্রদলের
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
দল থেকে অব্যাহতির পর যা বললেন ছাত্রদলের হামিম
  • ০৪ মার্চ ২০২৬
মিরসরাই ফোরাম ঢাকার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
  • ০৪ মার্চ ২০২৬
তিন মন্ত্রীর সাথে জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দল নেতা ও উ…
  • ০৪ মার্চ ২০২৬
হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি
  • ০৪ মার্চ ২০২৬
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
  • ০৪ মার্চ ২০২৬