যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৩ PM
যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট

যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট © সংগৃহীত

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬–এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী ফকির জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সম্রাটকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া মানিলন্ডারিংয়ের দায়ে তাকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তার অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ফকির জাহিদুল ইসলাম জানান, দুই ধারার সাজা একটির পর একটি কার্যকর হবে। ফলে সম্রাটকে মোট ২০ বছর কারাভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করেছেন বিচারক।

সম্রাট পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পলাতক থাকায় তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানিতে অংশ নিতে পারেননি এবং যুক্তিতর্কও উপস্থাপন করতে পারেননি।

২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি নিজেই মামলাটি তদন্ত করেন। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

গত ২ ফেব্রুয়ারি মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। অভিযোগপত্রভুক্ত ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনেরই সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত। এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির মানুষ

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছরের ১৭ জুলাই অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সম্রাট আত্মগোপনে যান। পরে ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সেদিন বিকালে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী ওই অভিযানে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং ‘নির্যাতন করার’ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উদ্ধারের কথা জানায় র‌্যাব। ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার ঘটনায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১১ মের মধ্যে চার মামলায় জামিন পান সম্রাট। কারাগারে যাওয়ার ৩১ মাস পর তার মুক্তি মেলে।

অফিস টাইমে পপুলারে সরকারি চিকিৎসক, বরখাস্তের নির্দেশ স্বাস্…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
ফেনীতে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল অটোরিকশাচালকের
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
বিপর্যয় কাটিয়ে সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে ‘বিশেষ বার্তা’ মিরা…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসামি হলেন ড. জাফর ইকবাল
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
অনুপস্থিতি ফি প্রত্যাহার করল ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড …
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
পাঁচ দাবিতে বাগেরহাটে ১১-দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬