তোফাজ্জল হত্যা

সম্পূরক অভিযোগপত্রে ঢাবির আরও ৭ ছাত্র আসামি

০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৮ PM
তোফাজ্জল হোসেন

তোফাজ্জল হোসেন © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে তোফাজ্জল হোসেন হত্যা মামলায় আরও সাতজনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এর ফলে মামলাটিতে মোট অভিযুক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮ জনে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হান্নানুল ইসলাম গত ১৭ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) শাহবাগের সাধারণ নিবন্ধন কার্যালয় থেকে আদালতের প্রসিকিউশন দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই অভিযোগপত্রে ছয় আসামির জবানবন্দিতে নাম আসা আটজনকে অব্যাহতি দেওয়ায় মামলার বাদী নারাজি দেন। পরে বাদীর নারাজির শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

সম্পূরক অভিযোগপত্রে নতুন করে অভিযুক্ত সাতজন হলেন—ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শেখ রমজান আলী (২৫), রাশেদ কামাল অনিক (২৩), মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ (২৪), আবু রায়হান (২৩), রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ (২৪), রাব্বিকুল রিয়াদ (২৩) ও আশরাফ আলী মুন্সী (২৬)।

প্রথম অভিযোগপত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ জন শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া (২৬), মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগের সুমন মিয়া (২১), পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মো. মোত্তাকিন সাকিন (২৪), ভূগোল বিভাগের আল হোসেন সাজ্জাদ (২৩)সহ আরও ১৭ জন শিক্ষার্থী।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ফজলুল হক মুসলিম হলে ৩৫ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেনকে মারধর করা হয়। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনায় পরে নিহতের ফুফাতো বোন আসমা আক্তার ২৫ সেপ্টেম্বর হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলার সঙ্গে এ মামলাটিও একসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ এনে অভিযুক্তরা তোফাজ্জল হোসেনের পরিবারের কাছে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। তাঁর মামা আব্দুর রব মিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ক্রিকেট স্টাম্প ও বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তোফাজ্জল হোসেনের মৃত্যু হয়।

ট্যাগ: ঢাবি
ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় ১৪৪ ধারার ‘মাইকিং’, ছাত্রদল নেতাক…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ৫০০ শয্যার, ১৫ তলা ভবন নির্মাণ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
নবীনদের স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাবির ফজলুল হক হলের ভিপি, সমাজসেবা সম্পাদক ও ভুক্তভোগী শিক্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্ত…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬