জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

০১ জুন ২০২৫, ১০:৫০ AM , আপডেট: ২২ জুন ২০২৫, ০২:১৯ PM
জামায়াতে ইসলামী

জামায়াতে ইসলামী © টিডিসি

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

রোববার (০১ জুন) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দেন।

আদালতে জামায়াতের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন, ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম।

এডভোেকেট শিশির মনির বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজকের এ রায়ের মাধ্যমে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক সংসদ প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। আমরা আশাকরি এ রায়ের মাধ্যমে সঠিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রাণবন্ত সংসদ গঠন হবে। জাতি, বর্ণ, শ্রেণী নির্বিশেষে সকেলেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে বেছে নিবেন, এটা আমরা প্রত্যাশা করি। 

তিনি জানান, আপিল বিভাগ রায় বাতিল করে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশনা দিয়েছেন রেজিস্ট্রেশন এবং অন্য যে সকল বিষয় আসবে সেগুলো যেন দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধন ফিরে পেয়েছে এবং প্রতীকের বিষয়টিও ইসিতে রেফার করা হলো অন্যান্য বিষয় হিসেবে। এজন্য আমরা মামলার শর্ট অর্ডার চেয়েছি এবং আগামীকালই আমরা রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ হাতে পাব। এটি আমরা ইলেকশন কমিশনের কাছে অ্যাপ্রোচ করব এবং বাকিটা আশাকরি নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন ও প্রতীক বুঝিয়ে দিবেন। এটা আমরা প্রত্যাশা করি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ জন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের তিন সদস্যের একটি বৃহত্তর বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আদালত রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি (লিভ টু আপিল) দেন, যা একই বছর নিয়মিত আপিলে রূপ নেয়।

এই রায়ের পর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে দেয়।

এরপর ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর হঠাৎ করেই জামায়াতের করা আপিল ও লিভ টু আপিল আবেদন খারিজ (ডিসমিসড ফর ডিফল্ট) করে দেন আপিল বিভাগ। কারণ, ওই দিন আপিলকারীর পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

পরে আদালতে দেরি মাফ করে আপিল ও লিভ টু আপিল পুনরুজ্জীবিত করার (রিস্টোর) আবেদন করে জামায়াত। শুনানি শেষে ২০২3 সালের ২২ অক্টোবর আপিল বিভাগ সে আবেদন মঞ্জুর করে। এর পর আপিল ও লিভ টু আপিল শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ওঠে। শুনানি শুরু হয় ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর এবং পরবর্তী কয়েকটি দিনেও তা অব্যাহত থাকে।

মুক্তি পেয়ে যা বললেন জামায়াতের নারী কর্মী সাওদা সুমি
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটে চাকরি, পদ ৬, আবেদ…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোর আসছেন ২৭ এপ্রিল
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনকে দুই দিনের রিমান্ডের আবেদন ডিবি…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
৫টার মধ্যে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে পাঁচ জেলায় 
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রথমবারের মতো ইউরোপের মাটিতে খেলবে হামজারা, প্রতিপক্ষ চূড়া…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
close