ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © টিডিসি সম্পাদিত
উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান কাজ গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞানের সৃষ্টি করা। বিশ্বব্যাপী মৌলিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয় মূলত পিএইচডি প্রোগ্রামের মাধ্যমে। কিন্তু দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই প্রোগ্রামের মান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠে। অন্যদিকে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রাম এখনও চালু হয়নি। এখনও উদ্যোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
আবার অনেক সময় বিদেশের ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয় নাম সর্বস্ব এই ডিগ্রি নিয়ে থাকেন দেশের অনেক সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এমনকি এ নিয়ে পদোন্নতি-সুবিধাও নিয়ে থাকেন তারা।
এ অবস্থায় দেশের পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের ডিগ্রির মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সদ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রয়োজনে ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রি যাচাই-বাছাই করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রি রাষ্ট্রপতি পত্নীর, অধ্যাপক বনেছিলেন শিক্ষকতা ছাড়াই
আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পিএইচডি এমন একটি ডিগ্রি, যেটা অবশ্যই যাচাইযোগ্য হতে হবে। অথচ দেশে এমন অনেক পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহৃত হচ্ছে, যেগুলোর সঠিক একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।
তিনি জানান, বিদেশে দেওয়া পিএইচডি ডিগ্রিগুলো প্রকৃত ও স্বীকৃত কিনা—তা যাচাই করা প্রয়োজন। কোন বিশ্ববিদ্যালয় পিএইচডি দিয়েছে, সেই বিশ্ববিদ্যালয় আদৌ স্বীকৃত কিনা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন রয়েছে কিনা এসব বিষয় পর্যালোচনা করা দরকার।
প্রয়োজনে এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করে পিএইচডি ডিগ্রির তালিকা তৈরি ও যাচাই করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, পিএইচডি শব্দের অপব্যবহার বন্ধ করা না গেলে উচ্চশিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।