বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
দুটিই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, একই উচ্চশিক্ষা খাত; অথচ শিক্ষার্থীদের পেছনে সরকারি ব্যয়ের পার্থক্য লাখ টাকারও বেশি। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বাজেট অনুমোদনের পর শিক্ষার্থীদের পেছনে সরকারি ব্যয়ের এই বৈষম্যের চিত্রটি আবারও সামনে এসেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হলেও শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয়ের চিত্রে রয়েছে বিস্ময়কর ফারাক। প্রায় ৩৪ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে দেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে একজন শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দ মাত্র ১ হাজার ৪২৩ টাকা; সেখানে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে ব্যয় হবে ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৪ টাকা। একই সময়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯ হাজার ৩২০ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে এই বিশাল ব্যবধান নতুন নয়; বছরের পর বছর ধরে উচ্চশিক্ষা খাতে বাজেট বণ্টনের এ বৈষম্য প্রশ্ন তুলছে সম্পদের ন্যায্য বণ্টন, শিক্ষার মান এবং রাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা নীতির কার্যকারিতা নিয়ে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়েগুলো বাজেট এমন ফারাক বছরের পর বছর ধরে হয়ে আসছে। তাদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ‘লজিক্যালি’ কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো মেইনটেনান্সে যে অর্থ খরচ হয়, জেলার তুলনামূলক ছোট একটি বিম্ববিদ্যালয়ে সেটি হয় না। কিন্তু তারপরও যেহুতু সববগুলোই একই ক্যাটাগরির বিশ্ববিদ্যালয়, তাই খরচের বিষয়টিতে পার্থক্য বেশ হলে কার্যত তাতে শিক্ষার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইউজিসি বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাজেটে মূলত বেতন ও ভাতা (শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী), পেনশন ও অবসর সুবিধা, গবেষণা অনুদান, শিক্ষা উপকরণ ও একাডেমিক কার্যক্রম, ল্যাবরেটরি, ওয়ার্কশপ ও গবেষণাগার ব্যয়, গ্রন্থাগার ব্যয়, ছাত্রকল্যাণ ও বৃত্তি, আবাসিক হল পরিচালনা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও ইউটিলিটি, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, উন্নয়ন প্রকল্প (উন্নয়ন বাজেটের ক্ষেত্রে), প্রশাসনিক ব্যয়, ভ্রমণ, প্রশিক্ষণ ও সভা-সেমিনার ইত্যাদি খরচ অর্ন্তভুক্ত থাকে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দের তারতম্য হয়। এছাড়ও সংশোধিত বাজেটে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
বাজেট আসলে বৈষম্য থাকা উচিত নয়। বিগত সরকারের সময় ১৫-১৬ বছর হাবিপ্রবি কাঙ্ক্ষিত বাজেট পায়নি। ফলে ফলে বাজেটের পরিমাণ খুবই কম থেকে গেছে। আমরা এখন চেষ্টা করছি বাজেট বাড়ানোর। তবে একবারেতো সরকার বাজেট বাড়াবে না, সেটা ধাপে ধাপে হতে হবে।-অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহ, উপাচার্য, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বাজেট আসলে বৈষম্য থাকা উচিত নয়। বিগত সরকারের সময় ১৫-১৬ বছর হাবিপ্রবি কাঙ্ক্ষিত বাজেট পায়নি। ফলে ফলে বাজেটের পরিমাণ খুবই কম থেকে গেছে। আমরা এখন চেষ্টা করছি বাজেট বাড়ানোর। তবে একবারেতো সরকার বাজেট বাড়াবে না, সেটা ধাপে ধাপে হতে হবে।
ইউজিসির সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে উন্নয়ন বাজেট বেশি দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থী প্রতি তাদের ব্যয় বেশি থাকে। তবে ইউজিসি বার্ষিক প্রতিবেদন করার সময় উন্নয়ন বাজেটগুলো বাদ দিয়ে হিসাব করে থাকে। এছাড়া কৃষি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থী প্রতি ব্যয় সবসময়ই বেশি থাকে। মূলত ল্যাব, ফিল্ড ওয়ার্কসহ ব্যবহারিক শিক্ষার জন্য তাদের খরচ বেশি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথাপিছু বা সামগ্রিক ব্যয় শুধু বাজেটের আকার দিয়ে বিচার করা যায় না; এটি প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃতি, অবকাঠামো এবং একাডেমিক কার্যক্রমের ওপরও নির্ভর করে। বিশেষ করে কৃষি ও প্রকৌশলভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণাগার, যন্ত্রপাতি ও গবেষণা কার্যক্রমের কারণে ব্যয় তুলনামূলক বেশি হয়। অন্যদিকে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত আবাসন, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার বা অন্যান্য সহায়ক সুবিধা না থাকায় তাদের ব্যয় অপেক্ষাকৃত কম দেখা যায়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারিত হলে এই ব্যবধান কমে আসতে পারে।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। বরাদ্দে অতিরিক্ত বৈষম্য থাকলে অপেক্ষাকৃত কম অর্থ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণার মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উচিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রয়োজন, শিক্ষার্থী সংখ্যা এবং একাডেমিক কার্যক্রম বিবেচনায় নিয়ে বরাদ্দ বণ্টনে আরও সমন্বিত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণ করা।
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথাপিছু বা সামগ্রিক ব্যয় শুধু বাজেটের আকার দিয়ে বিচার করা যায় না; এটি প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃতি, অবকাঠামো এবং একাডেমিক কার্যক্রমের ওপরও নির্ভর করে। বিশেষ করে কৃষি ও প্রকৌশলভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণাগার, যন্ত্রপাতি ও গবেষণা কার্যক্রমের কারণে ব্যয় তুলনামূলক বেশি হয়। অন্যদিকে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত আবাসন, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার বা অন্যান্য সহায়ক সুবিধা না থাকায় তাদের ব্যয় অপেক্ষাকৃত কম দেখা যায়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারিত হলে এই ব্যবধান কমে আসতে পারে।- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপাচার্য
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রতি মাথাপিছু ব্যয়
চলতি অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব বরাদ্দ পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার পরিমাণ ৯৪৯ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। আর সবচেয়ে কম রাজস্ব বরাদ্দ পেয়েছে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সিমেবি), যার পরিমাণ ৬৩ লাখ টাকা। ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন (২০২৩) অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ৩৫ হাজার ৬৯৬ জন। অর্থাৎ চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মাথাপিছু ব্যয় হবে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৯৫০ টাকা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব বরাদ্দ হয়েছে ৫৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ২১ হাজার ২১ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৯৪ টাকা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব বরাদ্দ হয়েছে ৫০৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ হাজার ৪৮১ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৭৪ টাকা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব বরাদ্দ হয়েছে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৪ হাজার ৬২১ জন, মাথাপিছু ব্যয় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ টাকা।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫২ কোটি ১২ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭ হাজার ৪২৬ জন, সে হিসেবে মাথাপিছু ব্যয় হবে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ১৭২ টাকা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭ হাজার ৮১৪ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪৫ টাকা। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৪ হাজার ৮৯২ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ২৬ হাজার ৫১১ টাকা। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৬ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮১৭ টাকা। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮২ কোটি ৯২ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৮ হাজার ৩৯১ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ২ লাখ ১৭ হাজার ৯৯৫ টাকা।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০২ কোটি ৮২ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ১ হাজার ৯৯১ জন; সে হিসেবে মাথাপিছু ব্যয় হবে ৫ লাখ ১৬ হাজার ৪২৪ টাকা। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৮ হাজার ৭০৮ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২০৪ টাকা। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫ হাজার ৭০৫ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ২ লাখ ২ হাজার ৮৪০ টাকা, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২১ কোটি ২৯ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪ হাজার ৪২৭ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪ হাজার ৬০৩ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ৩ লাখ ১০ হাজার ৪২৮ টাকা।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫ হাজার ৮৯৭ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৮৭ হাজার ২১৪ টাকা। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬ হাজার ৬৮৩ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৪৪ হাজার ১৪২ টাকা। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭ হাজার ৭২৭ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪১ টাকা। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৭ কোটি ৫ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩ হাজার ৭০৭ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৮২৯ টাকা। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭ হাজার ৭৭৭ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৬৭ টাকা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৭ হাজার ২৮২ জন; সে হিসেবে মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৭৯ টাকা। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬ হাজার ১৬১ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৯৫ টাকা, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৫ কোটি ২০ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭ হাজার ২৭৫ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৩ হাজার ৩৬৮ টাকা। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৬৪৮ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৭ টাকা। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৮ কোটি ৭৮ লাখ, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫ হাজার ৩৮৭ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৮৬ টাকা। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে ১৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯ হাজার ৭২০ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩২ টাকা। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫ হাজার ৩৮৮ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০৯ টাকা।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭ হাজার ৫০ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৬১ টাকা। গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০ হাজার ৭৫৫ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ৭৩ হাজার ২০৩ টাকা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৯২৩ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬২৩ টাকা। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬২ কোটি ৮৭ লাখ, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯ হাজার ৭১ জন, মাথাপিছু ব্যয় হবে ৬৯ হাজার ৩২০ টাকা। [নোট: বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তদারক প্রতিষ্ঠান ইউজিসি সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ২০২৫ সালের মার্চে। ২০২৩ সালের তথ্যের ভিত্তেতে ওই প্রতিবেদন তৈরি করায় শিক্ষার্থী সংখ্যায় কিছুটা তারতম্য হতে পারে।]