স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে অভিনন্দনপত্র তুলে দিচ্ছেন ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক © সংগৃহীত
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুযায়ী নির্ধারিত ২০৩০ সালের সময়সীমার অনেক আগেই মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পূর্ব তিমুরের দিলিতে ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশদেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের হাতে এ অভিনন্দনপত্র তুলে দেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস।
পূর্ব তিমুরের দিলিতে গত ৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ৪ দিনব্যাপী এই অধিবেশন চলবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এই অর্জন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। পাশাপাশি দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রসবসেবা ও মিডওয়াইফারি সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতাও এ সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় আরও জানায়, গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখার জন্যও বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, উচ্চমানের টিকাদান সেবা এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এ অর্জন গত এক দশকে ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের আঞ্চলিক অর্জন ধরে রাখার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় বাংলাদেশের সরকারের অর্জন, বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়াকে অত্যন্ত সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে এবং এসব উল্লেখযোগ্য জনস্বাস্থ্য সাফল্যের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানায়।