স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/সোমবার এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি কমাতে চালু করা হচ্ছে ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট সেবা। ইতোমধ্যে চারটি হাসপাতালে পাইলট কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের পর দেশজুড়ে এই সেবা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই সেবা সম্প্রসারণ করা হলে এর মাধ্যমে রোগীরা ঘরে বসেই নির্দিষ্ট সময়ের সিরিয়াল নিতে পারবেন, ফলে হাসপাতালে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার প্রয়োজন হবে না।
এদিকে সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সোমবার (৪ মে) একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালাও করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের ই-ফেক্টিভ গভর্ন্যান্স প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা বলছেন, ধাপে ধাপে দেশজুড়ে ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট সেবা চালু করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খোরশেদ আলম, এমআইএস পরিচালক ডা. আবু আহম্মদ আল মামুন, প্রকল্পের টিম লিডার আর্সেন স্টেপানিয়ান এবং প্রকল্প কনসালট্যান্ট ও এমআইএসের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী।
উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের আওতায় ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ই-গভর্ন্যান্স একাডেমির (ইজিএ) কারিগরি সহায়তায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্টরা জানান, ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালুর ফলে রোগীরা ঘরে বসেই আউটডোর টিকিট সংগ্রহ ও সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। এতে হাসপাতালের ভিড় কমবে, সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ।