দীর্ঘক্ষণ ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে কেন চোখে শুষ্কতা দেখা দেয়?

১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬ PM , আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৭ PM
প্রতীকি ছবি

প্রতীকি ছবি © এআই সম্পাদিত ছবি

বর্তমান সময়ে শিশু থেকে বয়স্ক প্রায় সবাই কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করেন। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বাড়ায় স্ক্রিননির্ভরতা আরও বেড়েছে। দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া, চুলকানি, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা ও ঘাড়ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব উপসর্গকে কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম বা ডিজিটাল স্ক্রিন সিনড্রোম বলা হয়।

চোখের সামনের স্বচ্ছ অংশ কর্নিয়া মসৃণ ও স্বচ্ছ রাখার ক্ষেত্রে চোখের পানির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চোখের পাতা পলক ফেলার মাধ্যমে চোখের পানিকে চোখের উপরিভাগে সমভাবে ছড়িয়ে দেয়। চোখের উপরিভাগে ছড়িয়ে থাকা এই পানির স্তরকে বলা হয় টিয়ার ফিল্ম।

কোনো কারণে চোখের পানি কম তৈরি হলে কিংবা টিয়ার ফিল্ম ক্ষতিগ্রস্ত হলে চোখে শুষ্কভাব দেখা দেয়। এর ফলে চোখে জ্বালাপোড়া ও চুলকানিসহ নানা ধরনের অস্বস্তি হতে পারে। এটিই ড্রাই আই বা চোখের শুষ্কতা।

ডিজিটাল স্ক্রিনে চোখ শুষ্ক হয় কেন?
স্বাভাবিকভাবে চোখের উপরিভাগের টিয়ার বা চোখের পানি বাতাসে বাষ্পীভূত হয়। তখন কর্নিয়ায় থাকা স্নায়ুর মাধ্যমে লেক্রিমাল গ্রন্থিতে সংকেত যায় এবং দ্রুত চোখের পানি তৈরি হয়ে ঘাটতি পূরণ হয়। এটি চোখের একটি স্বাভাবিক ও স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া।

সাধারণত প্রতি মিনিটে ১৫ থেকে ২০ বার পলক ফেলার মাধ্যমে চোখের পাতা টিয়ার ফিল্ম ঠিক রাখে। কিন্তু ডিজিটাল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে পলক ফেলার হার অর্ধেকের বেশি কমে যায়। ফলে টিয়ার ফিল্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চোখে শুষ্কভাব তৈরি হয়।

শুষ্কতার কারণে কর্নিয়ার স্নায়ু কোষে জ্বালাপোড়া ও ব্যথার অনুভূতি হতে পারে। দীর্ঘ সময় এভাবে চলতে থাকলে অস্বস্তি বাড়ে এবং স্বাভাবিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

চোখের শুষ্কতা এড়াতে করণীয়
ডিজিটাল আই স্ট্রেইন থেকে চোখকে সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। 

স্ক্রিন চোখের সমান্তরাল না রেখে কিছুটা নিচুতে রাখতে হবে। 

পাশাপাশি স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা এমন মাত্রায় রাখতে হবে, যাতে চোখে আরাম লাগে।

প্রতি ২০ মিনিট পরপর স্ক্রিন থেকে বিরতি নেওয়া উচিত। 

আরও দেখুন: ব্র্যাকে জনবল নিয়োগ, থাকছে বিমা-ডে কেয়ারসহ নানা সুবিধা

স্ক্রিন চোখের খুব কাছে রাখা যাবে না। সাধারণত চোখ থেকে ২০ থেকে ২৮ ইঞ্চি দূরে স্ক্রিন রাখা ভালো।

চোখের আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রয়োজনে আর্টিফিশিয়াল টিয়ার ব্যবহার করা যেতে পারে। 

অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিনের ব্যবহারও সীমিত করতে হবে।

চোখ ভালো রাখতে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা জরুরি। 

পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে এবং রাতে স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত। 

পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

নিয়মিত কায়িক পরিশ্রমের পাশাপাশি ঘাড়ের ব্যায়াম করাও উপকারী। 

এসব অভ্যাস মেনে চললে দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে চোখে তৈরি হওয়া অস্বস্তি ও ডিজিটাল আই স্ট্রেইনের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তবে চোখে কোনো ধরনের সমস্যা হলে খুব বেশি দেরি না করে চিকিৎকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে শিক্ষকদের বিএড-এমএড করার আহ্বান জাতী…
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি সংস্কৃতিরও একটি ঐতিহ্য: …
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আইসিডিডিআরবি 
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধার মৃত্যু, লাশ গুমের চেষ্টাকারী প্রধান…
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডাকটিকিটে মহানায়ক উত্তম, জন্মশতবর্ষে স্মৃতির ঝাঁপি খুললেন ম…
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পে স্কেলের গেজেট ১০ সেপ্টেম্বর?
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
EIIN : 134209
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে
একাদশ শ্রেণিতে
ভর্তি চলছে
অনলাইন আবেদন ০২ - ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আবেদন করুন

বিভাগ ও আসন সংখ্যা

বিজ্ঞান বিভাগজিপিএ ৪.০০
৫০০
ব্যবসায় শিক্ষাজিপিএ ৩.০০
৫০
মানবিক বিভাগজিপিএ ৩.০০
১০০

কেন হামদর্দ পাবলিক কলেজ?

  • প্রতি বছর শতভাগ পাস, ৭০% জিপিএ-৫
  • SCQ (Special Class & Quiz)
  • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম ও আধুনিক ল্যাব
  • ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল সুবিধা
  • ক্লাস শুরু: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
০১৮২৪-৫৫৭৮১২, ০১৬১১-৪৬৬৩৭৬