অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের সম্ভাব্য দাম জানালো সেরাম ইন্সটিটিউট

২০ নভেম্বর ২০২০, ০১:০৭ PM

© ফাইল ফটো

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ফার্মা জায়ান্ট অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য দাম জানালেন বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, ভারতে টিকাটির একটি ডোজের দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৬০০ রুপির মধ্যে। দুটো ডোজের দাম হতে পারে প্রায় এক হাজার রুপি।

ধারণা করা হচ্ছে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। সব ঠিক থাকলে, প্রথমে বয়স্ক মানুষ ও তার পরে স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়ার পরে এপ্রিল মাসের মধ্যে সাধারণ মানুষ পেয়ে যাবেন টিকা।  

সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া’র সিইও আদর পুনাওয়ালা জানান, অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অ্যাস্ট্রেজেনেকার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে পরীক্ষা চলছে ভ্যাকসিনের। এই ভ্যাকসিনের দাম ভারতে ৫০০ থেকে ৬০০ রুপির মধ্যে হবে। অর্থাৎ দুটো ডোজে প্রায় ১ হাজার রুপি দাম হতে পারে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের প্রথম দিকেই অক্সফোর্ডের কোভিড ভ্যাকসিনের ৩০ থেকে ৪০ কোটি ডোজ চলে আসবে ভারতে।

তিনি আরও জানান, এই ভ্যাকসিন সস্তা দামেই দেওয়া হবে ভারত সরকারকে, ভারতই তাদের অগ্রাধিকার। পুনাওয়ালা বলেন, ভ্যাকসিনটি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

আদর পুনাওয়ালা বলেন, সম্ভবত ২/৩ বছরের মধ্যে প্রতিটি ভারতীয় নাগরিক কোভিডের টিকা পেয়ে যাবেন। এত সময় লাগার কারণ শুধু ভ্যাকসিনের জোগান নয়, সেইসঙ্গে বাজেট ও অন্যান্য পরিকাঠামোও রয়েছে। সর্বোপরি প্রতিটি মানুষকে স্বেচ্ছায় টিকা নিতে হবে। ২০২৪ সালের মধ্যে প্রত্যেক ভারতীয় দুটি ডোজ ভ্যাকসিন পেয়ে যাবেন বলে আশা করছি।

এই ভ্যাকসিন কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার এই ভ্যাকসিন বয়স্ক মানুষদের শরীরে ভাল কাজ করছে। টি-সেল রেসপন্স ভাল, যা দেখে মনে হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে শরীরে। তবে এখনই নিশ্চিত করে বলা যাবে না কতদিন বজায় থাকবে এর কার্যকারিতা। আমাদের ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।

শিশুদের জন্য ভ্যাকসিন পেতে আরও একটু বেশি সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে জানান পুনাওয়ালা। তিনি বলেন, কোভিড বাচ্চাদের জন্য এখনও ততটা ক্ষতিকর হয়ে ওঠেনি। হাম বা নিউমোনিয়া এর চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করে। তবে বাচ্চারা করোনার জীবাণু বহন করে ছড়াতে পারে, সে কথা মাথায় রাখতে হবে। ভ্যাকসিন এলে বৃদ্ধদের ও অসুস্থদের আগে টিকা দেওয়া হবে, তার পরেই বাচ্চাদের জন্য ব্যবস্থা করা হবে।

আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে প্রতি মাসে ১০ কোটি করে ডোজ তৈরি হবে ভারতে। তবে কত জন করে পাবেন, তা এখনও স্থির হয়নি। পুনাওয়ালা বলেন, আমাদের হিসাব বলছে ভারতে জুলাইয়ের মধ্যে অন্তত ৪০ কোটি ডোজ জরুরি। সবগুলো সেরামে উৎপাদিত হবে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নই আমরা। এটুকু বলতে পারি, ভারতই আমাদের অগ্রাধিকার। তার পরে হয়তো আফ্রিকা, তার পরে অন্য দেশ।

সূত্র: দ্য ওয়াল

আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সিগারেট ধরাতে নিষেধ করায় রাবিতে বহিরাগত এনে সিনিয়রকে ‘মারধর…
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
এআই চ্যাটে কিশোররা কী করছে, দেখতে পারবেন অভিভাবক
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
একসঙ্গে প্রাণ হারালেন মা ও দুই মেয়ে
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধের শুরুতে আরব আমিরাতকে ‘আয়রন ডোম’ সরবরাহ করেছিল …
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬