ভারতের উত্তরপ্রদেশ

নিথর সন্তানকে বুকে জড়িয়ে বাবা, ‘ডাক্তাররা ছুঁয়েও দেখলেন না’

২৯ জুন ২০২০, ০৯:৪১ PM

© আনন্দবাজার

হাসপাতাল চত্বরে শুয়ে হাউমাউ করে কাঁদছিলেন বাবা প্রেমচাঁদ। কোলে নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে ছিল তাঁর এক বছরের সন্তানটি। পাশে বসে তাঁর স্ত্রী আশা দেবীও সমানে কেঁদে যাচ্ছিলেন। রবিবার বিকেলে এমনই এক দৃশ্য দেখা যায় ভারতের উত্তরপ্রদেশের কনৌজে।

কয়েক দিন ধরে শিশুটির জ্বর। গলাও ফুলে উঠেছিল। ছেলেকে নিয়ে প্রেমচাঁদ ও তাঁর স্ত্রী সোজা ছুটে গিয়েছিলেন কনৌজের সরকারি হাসপাতালে। অভিযোগ, চিকিৎসকরা শিশুটিকে ছুঁয়ে পর্যন্ত দেখেননি, উল্টে প্রেমচাঁদকে বলেছেন, এখানে কিছু করা সম্ভব নয়। কানপুরের হাসপাতালে তাঁরা যেন শিশুটিকে নিয়ে যান।

যদিও চিকিৎসকরা এবং হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রেমচাঁদের এই অভিযোগকে সরাসরি নাকচ করেছেন। উল্টো হাসপাতালের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ওই দিন বিকেল সওয়া ৪টার শিশুটিকে নিয়ে আসেন ওই দম্পতি। তার অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক ছিল। সঙ্গে সঙ্গেই শিশুটিকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসার পর খবর দেওয়া হয় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকে। কিন্তু ততক্ষণে আধঘণ্টা কেটে গিয়েছিল। এই সময়ের মধ্যেই মৃত্যু হয় শিশুটির। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও দাবি করেন, শিশুটিকে বাঁচানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছিল। এখানে গাফিলতির কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

কিন্তু প্রেমচাঁদের অভিযোগ, ‘প্রথমে চিকিত্সকরা ছেলেকে ছুঁয়ে দেখতেই চাননি। হাসপাতালেই বেশ কিছু লোক ঘটনাটির ভিডিও করতে থাকায় চিকিৎসকরা ছেলেকে পরীক্ষা করা শুরু করেন। আমাদের আধঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়েছিল। তারপর ছেলেকে কানপুরে নিয়ে যেতে বলেন চিকিত্সকরা।’

এরপরই প্রেমচাঁদ বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। টাকা নেই। কীই বা করতে পারতাম!’ খবর: আনন্দবাজার।

আজ ঢাকায় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট
  • ২৩ জুন ২০২৬
ফটিকছড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় নাগরিক আটক
  • ২৩ জুন ২০২৬
তাজিয়া মিছিল নিয়ে ডিএমপির কঠোর নির্দেশনা
  • ২৩ জুন ২০২৬
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ, যুবককে ছুরিকাঘাত
  • ২৩ জুন ২০২৬
পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে অ্যান্ডি বার্নহাম:…
  • ২৩ জুন ২০২৬
দাম বেড়ে আজ দেশে যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
  • ২৩ জুন ২০২৬