ইতালি ও স্পেনে কি আক্রান্ত-মৃত্যু কমেছে?

২১ এপ্রিল ২০২০, ১১:৫০ AM

© সংগৃহীত

চীন থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। মারণ থাবা বাসাতে থাকে একের পর এক দেশে। তবে সবচেয়ে ভয়াল থাবা বসায় ইউরোপে। ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেনে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান করোনায় আক্রান্ত হয়ে। এবার করোনাভাইরাসে ইউরোপের সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় এগিয়ে থাকা ইতালি ও স্পেনে মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে।

রবিবার(১৯ এপ্রিল) ইতালিতে এক সপ্তাহের মধ্যে এবং স্পেনে এক মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম মানুষ করোনায় মারা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এবং ফ্রান্সে লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে। ইরানে দোকান খুলেছে এবং রাস্তায় গাড়ি চলাচলও শুরু হয়েছে।

এদিকে ভাইরাস নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীন। এরই মধ্যে চীনের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে জার্মানি। গতকাল পর্যন্ত বিশ্বে আক্রান্ত ২৪ লাখ এবং মৃত্যু ১ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি।

ইতালি ও স্পেনে মৃত্যু হ্রাস

রবিবার(১৯ এপ্রিল) ইতালিতে মৃত্যু হয়েছে ৪৩৩ জনের যা এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। আর আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৭ জন যা মোট আক্রান্তের ১ দশমিক ৭ ভাগ। ইতালির বেসামরিক সুরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, দেশে ১ লাখ ৮ হাজার ২৩৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এদের মধ্যে কেউ হাসপাতালে কিংবা বাড়িতে চিকিত্সা নিচ্ছেন। তবে ১ লাখ ৮১ হাজার ২২৮ জন আক্রান্তের খবর জানায় ওয়ার্ল্ডোমিটার। দেশটিতে মারা গেছে ২৪ হাজার ১১৪ জন।

মৃত্যুর নিরিখে যুক্তরাষ্ট্রের পরে আছে দেশটি। গত শুক্রবার ইতালিতে মারা যায় ৫৭৫ এবং শনিবার মৃত্যু হয় ৪৮২ জনের। স্পেনে রবিবার ৪১০ জনের প্রাণ গেছে। গত এক মাসের মধ্যে এটা সর্বনিম্ন মৃত্যু। মৃত্যুর তালিকায় তৃতীয় স্থানে স্পেন। স্পেনে সংক্রমণের হারও কমছে। তবে সোমবার দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়েছে। ওয়ার্ল্ডোমিটার জানায়, দেশটিতে গতকাল মারা গেছে ৩৯৯ জন। যদি এটা সোমবারের পূর্ণাঙ্গ ফল হয় তাহলে মৃত্যু আরো কমল। স্পেনে মোট মারা গেছে ২০ হাজার ৮৫২ জন। বিশ্বে গতকাল রাত ১২ টা পর্যন্ত ২৪ লাখ ৫২ হাজার ৪৩৯ জন আক্রান্ত এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৪ জনের।

এদিকে চীনের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জার্মানির। করোনাভাইরাসটির উত্সস্থল চীন। তাই বেইজিংয়ের ওপর বেজায় খেপেছে আমেরিকা ও ইউরোপ। ইতিমধ্যেই বেইজিংকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। অস্ট্রেলিয়া অভিযোগ করেছে চীনের গবেষণাগার থেকেই ভাইরাস ছড়িয়েছে। তারা এ নিয়ে অবহেলাও করেছে। তবে বেইজিং সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এবার আরো একধাপ এগিয়ে চীনের কাছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে জার্মানির একটি সংবাদমাধ্যম।

চীনকে তুলোধোনা করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে জার্মানির প্রথমসারির পত্রিকা ‘দ্য বিল্ড’। পর্যটন, উত্পাদন শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে করোনার জেরে হওয়া লোকসানের খতিয়ান তুলে ধরে চীনের বিরুদ্ধে ১৩০ বিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে সেখানে। কড়া ভাষায় বেইজিংয়ের সমালোচনা করে ঐ নিবন্ধে বলা হয়েছে, গোটা বিশ্বের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে করোনা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রশাসন। সঠিক সময়ে বেইজিং সমস্ত তথ্য প্রকাশ করলে এই মহামারিকে ঠেকানো যেত।

এদিকে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে পালটা সংবাদপত্রটির বিরুদ্ধে উগ্র জাতীয়তাবাদ উসকে দেওয়ার অভিযোগ জানিয়েছে বেইজিং। এদিকে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের সর্বসাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চীনের উহান শহরে প্রায় হাজার খানেক রোগী যারা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে চলে গেছে বলে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল তারা আসলে সুস্থ হয়নি। এখন চীনের জাতীয় পরিসংখ্যানে দেশটিতে সুস্থ হওয়া রোগীর হিসাব দেখা যাচ্ছে কমে গেছে। এই সংশোধন হয়েছে গোপনে। জানিয়েছেন বিবিসি মনিটরিং বিভাগের চীনা সংবাদমাধ্যম বিষয়ে বিশ্লেষক কেরি অ্যালেন।

ময়মনসিংহে বিএনপির ৩০ নেতা বহিষ্কার
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াত আমিরের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে আপত্তিকর পোস্ট, …
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেরপুরের ঘটনার রেশ ধরে ঢাবিতে বিএনপির শীর্ষ নেতার নামে স্লো…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কর্ণফুলীতে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিরসরাইয়ে এক সপ্তাহে ৭ স্থানে আগুন, রাত জেগে গ্রাম পাহারা
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুই প্রভাষক নিয়োগ দেবে ঢাবির মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ, আবেদন শেষ …
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬