বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনেও। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত টোকিও অলিম্পিক পিছিয়ে গেছে এক বছর। ২০২১ সালের ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগষ্ট টোকিও অলিম্পিক গেমস এর সূচী হয়েছে চূড়ান্ত।
এক বছর টোকিও অলিম্পিক গেমস পিছিয়ে যাওয়ায় জাপান সরকারের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমান ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে টোকিও অলিম্পিক গেমস পিছিয়ে যাওয়ার পরও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর নিয়ে শঙ্কিত ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন কঠিন করে দিয়েছে টোকিও অলিম্পিকের ভাগ্য। সে কারনেই টোকিও অলিম্পিক গেমস এই পরিবর্তিত সূচী নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির কো অর্ডিনেশন কমিশনের চেয়ারম্যান জন কোটস সে শঙ্কার কথাই জানিয়েছেন। করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের উপর নির্ভর করছে টোকিও অলিম্পিকের ভাগ্য।
এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল হেলথ বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর শ্রীধর জানিয়েছেন, যথাযথ করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কারের উপর নির্ভর করছে পরের বছর অলিম্পিক করা সম্ভব কিনা। যদিও বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন খুব শীঘ্রই করোনার প্রতিষেধক বাজারে চলে আসবে। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে আগামী এক বছর কিংবা দেড় বছরের আগে করোনার প্রতিষেধক পুরোপুরি কার্যকর হবে না।
এদিকে টোকিও অলিম্পিক কমিটির প্রধান ইয়োশিরো মোরি জানিয়েছেন, চলতি বছর অলিম্পিক বাতিল হওয়ার পর করোনা মোকাবিলার জন্য তাদের নতুন একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। আশা করি এই টাস্কফোর্স পরের বছর অলিম্পিক আয়োজনের পথ মসৃণ করবে। সব চেষ্টাই চলছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে আগে করোনার ভ্যাকসিন, তারপর অলিম্পিক।