দেশে আরও নতুন করে দুই জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট দশ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ জনের নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে পরীক্ষা করার পর এ দুজনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ জনে।
ডা. ফ্লোরা জানান, নতুন করে যে দুজন আক্রান্ত হয়েছেন, তারা পুরুষ। একজন ইতালি থেকে আসা, আরেকজন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছেন। একজন ছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে, আরেকজন একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি একজন আক্রান্তের সংস্পর্শে থেকে সংক্রমিত হয়েছেন। দেশে এখন মোট ১৬ জন আইসোলেশনে আছেন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টইনে আছেন ৪৩ জন।
এছাড়া দেশের গার্মেন্টসহ কর্মীঘন প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রবেশ করানোর পরামর্শ দিয়েছেন আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা।
তিনি আরো বলেন, অফিসে যেসব জিনিস বারবার ব্যবহার করতে হয়, সেগুলো এক ঘণ্টা পরপর সাবান পানি দিয়ে মুছে নিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা এক মিটার ডিসটেন্স পালন করছি না। এক্ষেত্রে কিন্তু আমরা নিজেদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছি। আমরা যেখানেই যাই, যারা কোয়ারেন্টাইনে আছে, তাদের সঙ্গে দেখা করতে যাই; সে ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
তিনি আরো বলেন, যেসব জায়গায়-অফিসে অনেক মানুষের সমাগম হয়, কাছাকাছি বসে, গার্মেন্টসহ সেসব অফিসে কর্মীদের প্রবেশের আগে পরীক্ষা করে নেওয়া দরকার। সেই সঙ্গে জেনে নেওয়া দরকার, কারো জ্বর, কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট আছে কিনা। কারো শ্বাসকষ্ট থাকলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তারা বাড়িতে থাকবেন।