নবম জাতীয় পে স্কেল © ফাইল ছবি
নবম জাতীয় পে স্কেল দুই বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের বিষয়ে একমত হয়েছে সচিব কমিটি। এখন এটির খসড়া সরকারের অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উঠবে। বুধবার (১২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবনাটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য চূড়ান্ত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সচিব কমিটির বৈঠক সূত্র জানায়, সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি। তবে এটি সব গ্রেডের জন্য একই হারে বৃদ্ধি পাবে না। নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শতভাগ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া দুই ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি।
প্রথম ধাপে মূল বেতন, আর দ্বিতীয় ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির খসড়া অনুসারে, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে নবম পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন কার্যকর ধরা হবে। এরপর ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে ধাপে ধাপে এর বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে।
এর মধ্যে প্রথম ধাপে মূল বেতন, আর দ্বিতীয় ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির খসড়া অনুসারে, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে নবম পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন কার্যকর ধরা হবে। এরপর ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে ধাপে ধাপে এর বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে।
যদিও কত ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে, তা মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত করবে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সচিব কমিটির এক সদস্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। একই কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে সচিব কমিটির এক সদস্য জানান, নতুন বেতন কাঠামোয় গ্রেড ভেদে বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। পে-স্কেল নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ের কমিটি এখন এ সুপারিশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
আরও খবর: অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়ে তদন্তে নামছে মন্ত্রণালয়, কমিটি গঠন
জানা গেছে, অর্থ বিভাগ ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নবম পে-স্কেল সম্পর্কে অবহিত করেন। সেখানে হওয়া আলোচনার ভিত্তিতেই প্রস্তাবনাটি তৈরি করা হয়েছে। এবার উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বেশি বাড়ানো হবে।
এর আগে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ২০২৫-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রণয়নে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে সরকার। গেজেটে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়নের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রী। এ ছাড়া অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে।