নিজেকে ছোট ভাববে না — ক্ষুদে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৫ PM , আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৫ PM
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান © সংগৃহীত

নিজের সম্বন্ধে ভালো ধারণা রাখার পরামর্শ ও নিজেকে গড়ে তোলার আহ্বান রেখে নতুন কুঁড়ির ক্ষুদে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তোমরা ভালোভাবে গড়ে উঠলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকালে রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনি অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন মঞ্চেই।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো সঠিকভাবে তাহলেই আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে গড়ে তুলতে পারবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই যে গ্যালারিতে হাজার হাজার ছোট বন্ধুরা তোমরা বসে আছো তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের একজন ভালো ডাক্তার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো আর্কিটেক্ট বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশে একজন ভালো ক্রিকেটার বের হবে, ভালো সুইমার বের হবে, ভালো টেনিস প্লেয়ার বের হবে। অর্থাৎ তোমাদের মধ্যে থেকে খেলোয়াড় বের হবে। আজ তোমরা সেটা প্রমাণ করে দেখিয়েছো। তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের ভালো মানুষ তৈরি হবে যারা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। কাজেই নিজেকে কখনো ছোট ভাববে না, নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। তুমি যত শক্তভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে, তুমি তোমার বাংলাদেশকে তত সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারবে।’

‘গণমাধ্যমের প্রতি অুনরোধ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিডিয়ার ভাই আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন সেটা ইলেকট্রনিক মিডিয়া হোক বা প্রিন্ট মিডিয়া হোক আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ আছে এবং আপনাদের মাধ্যমে আপনাদের যে কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ এডিটর সাহেবরা আছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ আছে এই যে, নতুন করে স্পোর্টস হয়ে গেল, আজকে ফাইনাল খেলা হলো আজকে আমরা সবসময় দেখি যে পত্রিকায় বা নিউজে বিভিন্ন বিষয় হাইলাইট করা হয় বা লিড নিউজ করা হয়ে থাকে…আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ আপনাদের মাধ্যমে আপনাদের কর্তৃপক্ষের কাছে আমার অনুরোধ এই যে আজকে যে ইভেন্টটা আপনারা দেখে গেলেন এই ইভেন্টটা হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, বাংলাদেশের ফিউচার।’

তিনি বলেন, ‘যারা প্যান্ডেলের নিচে বসে আছে, যারা গ্যালারিতে বসে আছে তারা হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে যত নিউজই থাক আগামীকাল আপনাদের সম্প্রচারিত প্রতিষ্ঠানে, আপনাদের পত্রিকায় যদি আজকের এই বাচ্চাদের খেলা, আজকের এই ভবিষ্যৎ যারা আছে তাদের নিউজটা যেন আগামীকাল লিড করা হয়…এটি আমার অনুরোধ রইল আপনাদের কাছে। আশা করি আপনারা কালকের বা রাত্রের ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে আমাদের এই ভবিষ্যৎকে আপনারা তুলে ধরবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশ আমরা অনেক সমস্যায় আছে বাংলাদেশে…আমরা সেটি অস্বীকার করছি না। কিন্তু এই সমস্যার পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বাংলাদেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে পারব? আমরা জানি তোমাদের যে স্কুল, কলেজগুলো আছে, স্কুলগুলো আছে অনেক স্কুল হয়ত তোমাদের সঠিকভাবে ব্যবস্থা নেই। অনেক স্কুলে হয়ত ফ্যান ঠিকভাবেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কাজ করছি। তোমাদের এই সরকার কাজ করছে। তোমাদের স্কুলগুলো যাতে ধীরে ধীরে আমরা গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু আজকে এই নতুন করে স্পোর্টস ইভেন্টে তোমাদের কাছ থেকে আমি একটি কথা নিতে চাই। আমরা এই যে দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। এই কাজটি আমরা তখনই করতে পারবো। যখন এই যে তোমরা যারা গ্যালারিতে বসে আছো, আমার হাতের বাম পাশে তোমরা যারা খেলোয়াড়রা বসে আছো যারা পুরস্কার পেয়েছো তোমারা যদি নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো তাহলে আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব।’

‘তোমাদের থেকে খেলোয়াড় বের হবে’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো সঠিকভাবে তাহলেই আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে গড়ে তুলতে পারবো। আম দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এই যে গ্যালারিতে হাজার হাজার ছোট বন্ধুরা তোমরা বসে আছো। তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের একজন ভালো ডাক্তার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো আর্কিটেক্ট বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশে একজন ভালো ক্রিকেটার বের হবে, ভালো সুইমার বের হবে, ভালো টেনিস প্লেয়ার বের হবে।’ 

প্রশ্ন রেখে গ্যালারিতে বসে থাকা কিশোর-কিশোরীদের জবাব জানতে চান প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার সাথে আছো তোমরা। কারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাও…হাত তুলো। এই সময়ে পুরো গ্যালারির হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী একসাথে হাত উঁচু করলে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।

‘পড়ার সময়ে মন দিয়ে পড়তে হবে’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ার সময়ে মন দিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু খেলার সময় একইভাবে মন দিয়ে খেলতে হবে।  

‘পরিবেশ ঠিক করতে সহযোগিতা চাই’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট ছোট বন্ধুরা আছো তোমাদের সকলের কাছে আমি একটি সহযোগিতা চাই। একটি সাহায্য চাই। সেটি কি সাহায্য? এই দেশটা আমাদের সকলের দেশ, এই দেশের আলো, এই দেশের বাতাস, এই দেশের পরিবেশ আমরা সকলে মিলে যদি ঠিক রাখি তাহলে আমরা একটি সুন্দর পরিবেশে থাকতে পারবো। তুমি সুন্দর পরিবেশে বড় হতে পারবে, তুমি সুন্দর পড়া লেখা করতে পারবে। সেইজন্য আমি তোমাদের সকলের কাছে যে সাহায্যটি চাই, তোমরা নিশ্চয়ই দেখেছো রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তোমার বাসার আশেপাশে অনেকে বিভিন্ন রকম ময়লা ফেলে যায়, বিভিন্ন রকম স্টিকের বোতল ফেলে যায়…সেটি পুকুর হোক নদীনালা হোক বাসার আশেপাশে…এখন থেকে যদি এরকম কোন দৃশ্য তোমাদের চোখে পড়ে প্লিজ তোমরা তাকে বারণ করবে। দরকার হলে সেই ময়লাটি তোমরা তুলে নিয়ে গিয়ে যেইখানে ময়লা ফেলার জায়গা নির্দিষ্ট সেই জায়গায় ময়লা ফেলতে হবে।’

তিনি বলেন,  ‘আরেকটি কাজ তোমাদেরকে করতে হবে…কেউ যদি পুকুর নদী নালায় ময়লা ফেলে যদি তুমি পারো বন্ধুদেরকে সাথে নিয়ে সেই ময়লাটিকে পরিষ্কার করবে যাতে আমাদের পরিবেশটি, আমাদের নদীর পানি পুকুরের পানি যাতে পরিষ্কার থাকে, যাতে সেখানে মানুষ সুন্দরভাবে হাঁটাচলা করতে পারে বা মানুষ সেখানে বসতে পারে পুকুরের পাড়ে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটি তোমাদের সহযোগিতা চাই…তোমাদের হেল্প চাই আমার। সেই হেল্পটি হচ্ছে প্রতিবছর চেষ্টা করবে তোমার বাড়ির আশেপাশে হোক, তোমার স্কুলের আশেপাশে হোক অথবা যেখানে তুমি সুবিধা মনে করো সেইখানে একটি করে প্রতিবছর গাছ লাগাতে হবে। যদি আমরা গাছ লাগাতে পারি আমাদের পরিবেশটা সুন্দর হবে, পরিষ্কার হবে। আমরা সকলে মিলে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবো।’

প্রধানমন্ত্রী পশু-পক্ষীর প্রতি সদয় হওয়ার অনুরোধ রেখে বলেন, ‘আরেকটি কাজ তোমাদেরকে করতে হবে আমাদের কিছু কিছু মানুষ আছে যারা প্রকৃতির প্রতি বিভিন্ন পশুপাখির প্রতি অত্যন্ত নির্দয় হয়। আজকে আমার সকল ছোট বন্ধুদেরকে আমি অনুরোধ করব, আসো আমাদের আশেপাশে যত কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগি,গরু, ছাগল যত রকম পশুপাখি আছে আমরা চেষ্টা করব এইগুলো আমাদের দেশের সম্পদ, এদের যত্ন নেবার আমরা চেষ্টা করব। এই যে প্রকৃতির আল্লাহ দেওয়া বিভিন্ন জীবজন্তু পশুপাখি আছে তাদের যাতে কোন প্রকার ক্ষতি হতে না পারে সেই চেষ্টাটি আমরা করব। কি বন্ধুরা? আমাকে এই হেল্পটা করবে তোমরা?’
এই সময়ে কিশোর-কিশোরীরা সমন্বরে হ্যাঁসূচক জবাব দেয়।

‘আমরা তোমাদের সাথে আছি’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আছি তোমাদের সাথে। তোমরা পড়ালেখা করতে চাইলে সরকার থেকে আমরা তার ব্যবস্থা করবো যাতে সে ভালো করে পড়ালেখা করতে পারে। তোমরা যে গান গাইতে চাইবে, যে ছবি আঁকতে চাইবে, যে খেলাধুলা করতে চাইবে আমরা সব রকম তোমাদেরকে সহযোগিতা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে সরকার। কিন্তু তোমাদেরকে সঠিকভাবে তোমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে। তোমাদের দিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তাকিয়ে আছে, বাংলাদেশ তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তোমরা যদি নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো আমরা একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো। এই কাজ আমরা হয়ত শুরু করেছি…কিন্তু বাংলাদেশ গড়ার কাজ তোমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীসহ বিজয়ীদের অভিন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতার এই পর্যন্ত আসার জন্য তাদের পরিবারের বাবা-মাদেরকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। তাদের স্কুলের শিক্ষক যারা সহযোগিতা করেছেন, বিভিন্ন কোচ যারা সহযোগিতা করেছেন, প্রত্যেকটি মানুষকে আমি অন্তরের অন্তস্থল থেকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।  আপনারা যেই কষ্ট করেছেন সেই কষ্টের মূল্য ইনশআল্লাহ আপনারা পাবেন। যখন আপনারা এই বাচ্চাগুলাকে দেখবেন  জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। সেদিন আমাদের সকলের বুকটা আপনাদের সাথে আমাদের সকলের বুকটা সেদিন ভরে উঠবে। এই মাঠে আজকে আমাদের বাচ্চারালা খেলা করেছে, এই মাঠে কেউ জিতেছে কেউ এখনো জিততে পারে নাই। ইনশল্লাহ আগামী দিনে তারা আবার প্রতিযোগিতা করবে। আসুন আমরা চেষ্টা করি এই মাঠ নয়। ইনশাল্লাহ আমাদের বাচ্চারা যাতে আগামী দিনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মাঠে জিতে ট্রফি বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারে…এটি হোক আজকে আমাদের প্রত্যাশা।’

অনুষ্ঠানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ফুটবলের ফাইনালে বিজয়ী দল বালকদের মধ্যে সিলেট অঞ্চল এবং বালিকাদের মধ্যে রংপুর অঞ্চল। বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন এবং প্রতিযোগিদের হাতে ক্রেস্ট –মেডেল ও চেক প্রদান করেন। 
বালকদের ফুটবলে হাড্ডি লড়াইয়ে ময়মনসিংহ অঞ্চলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে সিলেট অঞ্চল। বালিকাদের ফাইনালে উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় ক্ষুদে কিশোরী ফুটবলাররা রাজশাহীকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা লাভ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিকাল ৪টায় বালিকাদের ফাইনাল খেলাটি স্টেডিয়ামের খেলার মাঠে পাশে বসে খেলা দেখেন। এ সময়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ছাড়া অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ, মীর হেলাল, সেনা বাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন প্রমূখরা বালিকাদের ফুটবল খেলা উপভোগ করেন।

গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আঞ্চলিক পর্যায়ে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ক্ষুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে ধারাবাহিক প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়। জাতীয় পর্বের খেলাগুলো হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন ভেন্যুতে। 

এগ্রো-টেক শিল্পে গুরুত্ব দিলে কর্মসংস্থান বাড়বে: ইউজিসি সদস…
  • ২৭ জুলাই ২০২৬
‘আপনি জনগণের চাকর, উল্টাপাল্টা বক্তব্য না দিয়ে নিজের দায়িত্…
  • ২৭ জুলাই ২০২৬
এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ৭ দিন লোডশেডিং স্থগিত
  • ২৭ জুলাই ২০২৬
কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়…
  • ২৭ জুলাই ২০২৬
গাজীপুরে আওয়ামী মিছিল ঠেকাতে পুলিশি ব্যর্থতার অভিযোগ, এসপিস…
  • ২৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম 
  • ২৭ জুলাই ২০২৬