পে-স্কেল © ফাইল ছবি
সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে গত ১ জুলাই থেকে। তবে প্রকাশ এখনও হয়নি গেজেট। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পে-স্কেলের গেজেট জারির কার্যক্রম আরও পিছিয়ে যেতে পারে। তবে ঠিক কতদিন পেছাবে সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কোনো কোনো কর্মকর্তার মতে দুই থেকে তিন মাস দেরিতে গেজেট জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র দাবি করেছে, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের সময় অধিকাংশ কাজ ম্যানুয়ালি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা, ইনক্রিমেন্ট, পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও জিপিএফসহ যাবতীয় বিষয়গুলো ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) এবং আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। ফলে ধাপে ধাপে মূল বেতন কার্যকর করতে গেলে সফটওয়্যারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হবে।
সূত্রের তথ্য বলছে, যদি একাধিক ধাপে মূল বেতন কার্যকর করা হয়, তাহলে একই কর্মচারীর জন্য বারবার পে-ফিক্সেশন করতে হবে। এতে সফটওয়্যার পরিবর্তন, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ভুল হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। এ ছাড়া পদোন্নতি, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও অবসরজনিত সুবিধা নির্ধারণেও জটিলতা তৈরি হতে পারে। সফটওয়্যারে এ বিষয়গুলো সমাধান করার পরই পে-স্কেলের গেজেট জারি করা হতে পারে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘পে-স্কেলের সুপারিশ প্রনয়নে গঠিত সচিব কমিটি নতুন বেতন কাঠামোর আর্থিক প্রভাব, সফটওয়্যার সামঞ্জস্য এবং প্রশাসনিক দিকগুলো পর্যালোচনা করছে। চলতি মাসে পে-স্কেলের গেজেট জারির সম্ভাবনা নেই। সফটওয়্যারের যাবতীয় বিষয় সমাধানের পর গেজেট জারি হবে। এটি করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।’