৯ দিনে পেনশন পাবেন চাকরিজীবীরা, মৃত্যু বা অক্ষম হলে অনুদান ২০ কার্যদিবসে © সংগৃহীত
২০২৬-২৭ অর্থবছরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জন্য ৫ হাজার ৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই বাজেটে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই বাজেট থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনের স্বয়ংসম্পূর্ণ আবেদন ৯ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী বা গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ীভাবে অক্ষমতাজনিত কারণে কর্মচারীর পরিবারকে আবেদন প্রাপ্তির ২০ কার্যদিবসের মধ্যে কল্যাণ অনুদান (আর্থিক সহাযতা) প্রদান নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে এই অর্থ বছরে।
এ ছাড়া শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতকরা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রাপ্ত দুদকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১২ কার্যদিবসের মধ্যে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
এই বাজেট থেকে সরকারের ১৩০ জন উপসচিবকে অ্যাডভান্সড কোর্স অন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এসিএডি), ১১০ জন যুগ্মসচিবকে সিনিয়র স্টাফ কোর্স (এসএসসি) ও ৫০ জন অতিরিক্ত সচিবকে পলিসি প্লানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (পিপিএমসি) প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে চাকরি স্থায়ীকরণের শর্ত হিসেবে আবশ্যিক ও পেশাগত কোর্স হিসেবে নবীন কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে ৬১৫ জন, আইন ও প্রশাসন প্রশিক্ষণ কোর্সে ২৮০ জন এবং উন্নয়ন প্রশাসন কোর্সে ৮০ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এ ছাড়া বিশেষায়িত প্রশিক্ষণে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (পিপিএম) কোর্সে ১৬০ জন, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কোর্সে ২০ জন, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কোর্সে ১২০ জন, লিডারশিপ অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক ম্যানেজমেন্ট কোর্সে ১২৫ জন এবং পলিসি অ্যানালাইসিস কোর্সে ৭০ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৩.৭ শতাংশ। এটি চলতি অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি ব্যয়ের কাঠামোয় উন্নয়ন কর্মকা-কে আরো বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।