পে স্কেলের প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক বাস্তবায়নের দাবি জানালেন সরকারি চাকরিজীবীরা

৩১ মে ২০২৬, ০১:০৪ PM
নবম জাতীয় পে স্কেল

নবম জাতীয় পে স্কেল © ফাইল ছবি

১১ বছর পরে দুটি পে স্কেলের সমন্বয় করে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে প্রথম ধাপেেই শতভাগ বেসিক বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সমিতির নেতারা। রবিবার (৩১ মে) সংগঠনের আহবায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১১ বছরে কর্মচারীদের বেতনের কোন মৌলিক পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু দ্রব্যমূল্য বেড়েছে আকাশচুম্বী, যা দেশের সব নীতি নির্ধারক জানেন। এ অবস্থায় বাজার মূল্য সকল কর্মচারীদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, যার কারণে বহু কর্মচারীরা বাঁচার তাগিদে চাকরির ফাঁকে বাড়তি কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে, যা নিজের জন্য লজ্জাজনক। 

তারা বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী,টিভি চ্যানেল জাতীয় পত্রিকার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তিন ধাপে তিন বছরে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কল্যাণ সমিতির মতামত তুলে ধরছেন তারা। অতীতের সব পে স্কেল প্রদানের পূর্বে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রচলন ছিল এবং দুই ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হবার সাথে তার সমন্বয় করা হতো। প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক বাস্তবায়ন হতো, দ্বিতীয় ধাপে সব ভাতা।

নেতারা বলেন, শোনা যাচ্ছে যে, তিন ধাপের প্রথম ধাপে বেসিকের ৫০ শতাংশ বাস্তবায়ন হবে ১ জুলাই। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এর আনুষ্ঠানিক বা কোনও বিবৃতি আমরা পাইনি। তথাপি সেই হিসাবেই যদি সরকার পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে আগায় এবং ৫০ শতাংশ এর প্রথম ধাপেই যদি ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা প্রত্যাহার করা নেয়া হয়, তাহলে একজন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীর যে বেতন বাড়বে, তাতে এক সপ্তাহের বাজার হবে না, যার ফলে যেই অভাব সেই অভাবই থেকে যাবে। শুধু দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাবে। 

এক্ষেত্রে সব গ্রেডের প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখতে জীবনমান ঠিক রাখতে প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক বাস্তবায়ন চান জানিয়ে তারা বলেন, এতে ১৫ শতাংশ সমন্বয় করা যেতে পারে এবং পরবর্তীতে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে ভাতা সমুহকে দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। যেহেতু ভাতার মধ্যে একটা বড় অংশ বাসাভাড়া দ্বিতীয় ধাপে দিয়ে ৩য় ধাপে অন্যান্য ভাতা বাস্তবায়ন করা যায়, এতে কর্মচারীরাও ক্ষুব্ধ হবে না এবং দেশের উপর ও চাপ কম পড়বে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

আরও পড়ুন: নবম পে স্কেলে আলোচনায় দুই প্রস্তাব—কাদের বেতন দ্বিগুণ হবে, বেশি সুবিধা পাবেন কারা?

তারা বলেন, শতভাগ বেসিক বাস্তবায়ন না করে ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা প্রত্যাহার বা সমন্বয় করা হবে এক প্রকার আত্বঘাতী সিদ্ধান্ত এবং এর ফলে  পে স্কেল প্রদানের পরে ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হবে। একটা পে স্কেলের সুবিধা ভোগ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাঁচ বছর সেখানে ১১ বছর পর নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হতে যদি তিন বছর সময় লাগে, তাহলে পরবর্তী পে স্কেল হবে কত বছর পরে প্রশ্ন থাকতেই পারে। 

তিন বছর ধরে পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হলে ব্যবসায়ীরা প্রতি ধাপকে কেন্দ্র করে বারবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সুযোগ পাবে বলেও মনে করেন দুই নেতা। তারা বলেন, অল্প সময়ে পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে দ্রব্যমূলক কম বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং  একপর্যায়ে পে স্কেলের বর্ধিত বেতন বৃদ্ধির চাইতে দ্রব্যমূল্যের দাম বেশি হয়ে যাবে যার কারণে বেতন এবং দ্রব্যমূল্যের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় কর্মচারীরা আবারো চরম বিপর্যয়ের মধ্যে নিপতিত হবে যা কাম্য নয়। 

বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে অন্যান্য সরকারের চাইতে সেরা প্রধানমন্ত্রী। তার কাছে অতীতের যেকোনো সরকারের চাইতে সেরা পে স্কেল উপহার চান বলে জানান তারা।

‘বাংলাদেশের ক্রিকেট জনগণের, কোনো গ্রুপের নয়’, স্থিরতা চান ই…
  • ৩১ মে ২০২৬
সাঁকো থেকে খালে পড়ে প্রাণ গেলো দুই ভাইয়ের
  • ৩১ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১
  • ৩১ মে ২০২৬
অনার্স ৩য় বর্ষের খাতা পুনঃমূল্যায়নের আবেদন শেষ মঙ্গলবার  
  • ৩১ মে ২০২৬
পে স্কেলের প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক বাস্তবায়নের দাবি জানালেন …
  • ৩১ মে ২০২৬
‘অতিরিক্ত কিছু নয়, এটা তাদের পাওনা’, ক্রিকেটারদের বেতন বৃদ্…
  • ৩১ মে ২০২৬