আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী © টিডিসি ফটো
একটি স্থিতিশীল সংবেদনশীল দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা নির্বাচনে গেছি, জনগণের ভোটে নির্বাচিতও হয়েছি। দেশে স্থিতিশীলতা না থাকলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। যারাই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে তারা যেই হোক আইনের চোখে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী জ্ঞান মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে মন্দির স্থাপন একটি ভিন্নধর্মী ও ইতিবাচক উদ্যোগ। এটি দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতিফলন। আমাদের সমাজে ডাইভার্সিটি রয়েছে এবং সেই ডাইভারর্সিটি মধ্যেই ঐক্য বজায় রাখতে হবে। বৈচিত্র্য ছাড়া কোনো কিছু উন্নত হতে পারে না।
‘সংখ্যালঘু’ বিষয়টি তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান সব নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে। সংখ্যালঘু শব্দ ব্যবহার করার মধ্যেই সমস্যা রয়েছে। আমি সংখ্যালঘু, সাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাসী নই। বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে ‘রংধনু জাতি’ গঠন, যেখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষ সমান মর্যাদায় সহাবস্থান করবে।
জ্বালানি সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি কেবল বাংলাদেশের নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যা। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অনেক দেরিতে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে সরকার।
সরকারকে যেহেতু উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে তাই সামান্য এই দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না। সংকট মোকাবেলায় সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছে। অচিরেই সংকট কেটে যাবে বলেও জানান মন্ত্রী।
মন্দির উদ্বোধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য অঞ্চল বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, অদুল-অনিতা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অদুল কান্তি চৌধুরী ও কো-চেয়ারম্যান অনিতা চৌধুরী।