ঢাকায় লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত সরকারের

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৪ PM , আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১১ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের কৃষি খাতে সেচ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং শহর ও গ্রামের মধ্যকার বৈষম্য দূর করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবে কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং হচ্ছে। এই বিষয়টি সহনীয় মাত্রায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনাক্রমে রাজধানী ঢাকায় ১১০ মেগাওয়াট প্রাথমিকভাবে, পরীক্ষামূলকভাবে লোড শেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, শহরের মানুষ আরামে থাকবে এবং গ্রামের মানুষ অর্থাৎ খেটে খাওয়া কৃষক কষ্টে থাকবে, এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। কারণ জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ সমাজ অর্থাৎ শহর এবং গ্রামের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকতে পারে না, সেই বৈষম্যমুক্ত করার জন্য আমরা শহরেও প্রয়োজনে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে করে কৃষকেরা তাদের সেচের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পেতে পারে।

অনিন্দ্য ইসলাম বলেন বলেন, আমি দেশবাসীর কাছে আজকে এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে তাদের এই কষ্টের জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে আমি বিনয়ের সঙ্গে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি শুধু আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা রয়েছে জনগণের দুঃখ কষ্ট লাঘব করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা। 

সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনে ব্যর্থ হচ্ছে কেন, এমন প্রশ্ন উঠতে পারে উল্লেখ করে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিদিন বাংলাদেশে ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে উৎপাদন হয় প্রতিদিন ১ হাজার ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট। প্রতিদিন গড়ে আমদানি হয় ৯৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। সামর্থ্য থাকলেও গ্যাসের আমদানি বাড়ানোর সুযোগ নেই। কারণ এর জন্য যে অবকাঠামো রয়েছে রাতারাতি সেই অবকাঠামোর সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। এ অবকাঠামো বাড়ানোর জন্য বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের যে অগ্রাধিকার তালিকা রয়েছে তার মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটি আমদানিকৃত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি এবং আরেকটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিজেদের মেইনটেনেন্সের কারণে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না। আশা করছি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তারা পূর্ণ উৎপাদনে যাবে। সেক্ষেত্রে আজ যে রকম প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং আমরা দেখতে পাচ্ছি কিংবা কষ্ট স্বীকার এটি আগামী সাত দিনের মধ্যেই কমে যাবে।

জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড ভিসা কী
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
এপ্রিলের মধ্যেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যাচ্ছে ‘নগর স্…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের ভাইভা শুরু কবে, জানাল মন্ত্রণালয়
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবিতে সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় ছাত্রশক্তির নিন্দা
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডে চাকরি, পদ ৭১, আবেদন শুর…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকের উপর ছাত্রদলের হাম…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬