বৃদ্ধের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান © সংগৃহীত
রাজধানীর ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অভিযানে উচ্ছেদ করা হয় অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা। মগবাজারে এ অভিযানের মুখে পড়ে ৮০ বছর ঊর্ধ্ব বৃদ্ধ নাঈমুদ্দিনের বেঁচে থাকার অবলম্বন ফুটপাতের ক্ষুদ্র দোকান। উচ্ছেদের এই খবরটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোঁচর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উচ্ছেদ অভিযানের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বৃদ্ধের অসহায়ত্ব দেখে মানবিক কারণে নিজেই নাঈমুদ্দিনের বেঁচে থাকার অবলম্বনটুকু উচ্ছেদ হবে না বলে ঘোষণা দেন। ম্যাজিস্ট্রেটের সেই ঘোষণা, ‘এই দোকান উচ্ছেদ হবে না’ শিরোনামে একটি দৈনিকে মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এক পর্যায়ে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে এলে তিনি তার পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে উঠা মানবিক সংগঠন ‘আমরা বিএনপি পরিবারকে বৃদ্ধ নাঈমুদ্দিনের স্থায়ী বাসস্থান, চিকিৎসা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে সংগঠনটি দ্রুত অসহায় বৃদ্ধ নাঈমুদ্দিনের পাশে দাঁড়ায়। এমনকি ওই সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাধ্যমে খোদ প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথাও বলেন। তিনি তার ভরন-পোষণসহ বাসস্থানের ব্যবস্থা করারও আশ্বাস দেন।
এ বিষয়ে আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুন জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী নিজে নাঈমুদ্দিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি আজীবন পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
মিথুন আরও জানান, বর্তমানে বৃদ্ধ নাঈমুদ্দিনের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করা হয়েছে। তার বর্তমান অবস্থানের কাছাকাছি, রাজধানীর মগবাজারেই স্থায়ী বাসস্থানসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, একটি মানবিক প্রতিবেদন থেকেই শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন রূপ নিয়েছে মানবিক সহমর্মিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে।