জ্বালানি অস্থিরতা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লোগো © সংগৃহীত
ইরানে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বিশ্ব জ্বালানির বাজারে। যে কারণে চাহিদা বাড়ায় জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে বিশ্বের নানান দেশ। এমন পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিস সমূহ সপ্তাহে কতদিন চালু রাখা হবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় নিয়েছে সরকার।
সরকারি অফিসে সময়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে বাড়তে পারে সরকারি কর্মচারীদের ছুটি। এছাড়া হোম অফিসের মতো অথবা অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের কথাও ভাবা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার পর এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতোমধ্যে সব সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে সরকার। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমিয়ে কীভাবে জ্বালানি সাশ্রয় করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।
এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার (২৯ মার্চ) সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।