পে-স্কেল নিয়ে পূর্ণ কমিশনের সভার তারিখ নিয়ে যা জানা গেল

০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৯ PM
জাতীয় বেতন কমিশন

জাতীয় বেতন কমিশন © ফাইল ছবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার তারিখ এখনো চূড়ান্ত করেনি পে-কমিশন। কবে নাগাদ এ সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে সে বিষয়ে কিছুই বলছে না কমিশন। ফলে সুপারিশ জমা দেওয়ার যে ডেডলাইন ঠিক করা হয়েছিল সেটি বাস্তবায়ন হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

শনিবার (০৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় পে-কমিশনের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার তারিখ এখনো ঠিক করা হয়নি। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে অথবা আগামী সপ্তাহের শুরুতে এ সভা হতে পারে।’

চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে সভা হলে ডেডলাইন অনুযায়ী সুপারিশ জমা দেওয়া সম্ভব হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কঠিন হয়ে যাবে। কেননা আমাদের অন্তত আরও দুটি সভা করা প্রয়োজন। কমিশনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে সবাই একমত পোষণ করলে সুপারিশ যেকোনো সময় জমা দেওয়া সম্ভব।’

এদিকে নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ জমা দেওয়ার সম্ভাব্য ডেডলাইন ঠিক করেছে পে-কমিশন। আগামী মধ্য জানুয়ারির মধ্যে কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে বলে জানা গেছে। 

পে-কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, নবম পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা, সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণ ছাড়াও আরও কিছু বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। এজন্য আরও অন্তত দুটি পূর্ণ কমিশনের সভা আয়োজন করা হবে। এ সভায় সদস্যরা অমীমাংসিত বিষয়গুলোর প্রতি একমত পোষণ করার পর কমিশন তাদের রিপোর্ট জমা দেবে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে নবম পে-স্কেল নিয়ে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘মধ্য জানুয়ারির মধ্যে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার একটি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আমরা এর আগেও রিপোর্ট জমা দিতে পারি। পূর্ণ কমিশনের আরেকটি সভা করতে পারলে সুপারিশ জমা দেওয়ার সম্ভাব্য দিনক্ষণ আরও নির্দিষ্ট করে বলা যাবে।’

পে-কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন গ্রেড নিয়ে তিন ধরনের চিন্তা করছে কমিশন। বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের ২০টি গ্রেড রয়েছে। কমিশনের অনেক সদস্য মনে করেন বিদ্যমান গ্রেড সংখ্যা একই রেখে যৌক্তিক হারে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করতে। তবে এখানে ঘোর আপত্তি রয়েছে কমিশনের আরেকটি অংশের। তারা মনে করেন, গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৬টি করা উচিত।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেড সংখ্যা ১৬টি করতে অনেক সদস্য একমত হলেও সদস্যদের আরেকটি অংশ চাচ্ছে নবম পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ১৪টি করা হোক। এক্ষেত্রে তাদের যুক্তি, গ্রেড সংখ্যা অধিক হওয়ায় বেতন বৈষম্য বেশি হতে পারে। এজন্য গ্রেড সংখ্যা কমানোর পক্ষে তারা।

জানা গেছে, নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন থেকে প্রাপ্ত মতামতগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে-কমিশন)। তবে এখনো সম্পূর্ণ প্রতিবেদন লেখার কাজ করা যায়নি বলে জানিয়েছে পে-কমিশন। 

বাস্তবসম্মত একটি সুপারিশ প্রস্তুতির দিকে মনোযোগ দিয়েছে কমিশন। এজন্য প্রতিটি সংস্থা, দপ্তর এবং সংগঠন থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। এই কার্যক্রম শেষ হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। 

ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ: ভাষাতত্ত্বের মহাপণ্ডিত থেকে ভাষা …
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মেঘনা গ্রুপে চাকরি, আবেদন শেষ ৯ ফেব্রুয়ারি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রেজাউলের কবর জিয়ারত, ছেলেকে কোলে নিয়ে অঝোরে কাঁদলেন জামায়াত…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এবার ফেসবুক পেজ হারানোর শঙ্কায় ১১ দলীয় জোটের আরেক শীর্ষ নেতা
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তাপমাত্রা আবার কমার পূর্বাভাস, থাকবে কত দিন
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬