করোনার বন্ধে টিউশন ফি নিয়েছে ৯৩ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: জরিপ

১১ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৫৮ PM

© সংগৃহীত

করোনার কারণে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শতাভাগ ফি নিয়েছে টিউশন ৯৩ শতাংশ। তবে কিছুটা কম নিয়েছে ৭ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আর ৫০ শতাশং টিউশন ফি নিয়েছে মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ এডুকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম’ এর এক জরিপে বিষয়টি উঠে আসে। আজ বুধবার (১১ নভেম্বর) ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানে জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছে সরাসরি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। নগরভিত্তিক এই জরিপ কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মেগা সিটি ঢাকা ও চট্টগ্রামকে। শিক্ষার্থীদের কাছে নির্ধারিত প্রশ্নের ফরম দেওয়া হয়, শিক্ষার্থীরা সেটি পূরণ করেছে। শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের তথ্য সমন্বয় করে উপস্থাপনের জন্য প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

চট্টগ্রামে ৪৯৬ ও ঢাকায় ৩৯৫ জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত প্রশ্ন করে উত্তর সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্য বিভাগের ২৩৫ জন শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে বরিশাল ২০, খুলনা ২৬, ময়মনসিংহ ২৯, রাজশাহী ৮৫, রংপুর ৬৭ এবং সিলেট বিভাগের ৮ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায়, মাধ্যমিকে ৪২ শতাংশ, উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে মোট ৬৩ শতাংশ। আর অংশ নিতে পরেনি ৩৭ শতাংশ। ভিডিওর মাধ্যমে শিক্ষা নিয়েছে ৬১ শতাংশ, অংশ নেয়নি ৩৯ শতাংশ। ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে শিক্ষা নিচ্ছে ৩৫ শতাংশ, নেয়নি ৬৫ শতাংশ। অন্য মাধ্যমে (ই-মেইল, হোয়াটসআ্যাপ, ভাইবার ইত্যাদি) শিক্ষা নিচ্ছে ২১ শতাংশ আর নেয়নি ৭৯ শতাংশ।

ইন্টারনেট ব্যয় ৫০১ টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে ৫৪ শতাংশ শিক্ষার্থীর। ইন্টারনেট ব্যয় ৭০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে ১০ শতাংশ শিক্ষার্থীর। স্মার্টফোন আছে ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থীর। স্মার্টফোন নেই ৬ শতাংশ শিক্ষার্থীর।

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে মন্তব্য করেনি ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী সহযোগিতা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।

শিক্ষকগণ যোগাযোগ করেছেন ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর সঙ্গে। আর যোগোযোগ করেনি ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থীর সঙ্গে।

টেলিভিশন আছে ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর বাড়িতে, নেই ২ শতাংশ শিক্ষার্থীর। শহরে টেলিভিশনের চিত্র এমন হলেও গ্রামপর্যায়ে অসমাপ্ত জরিপ অনুযায়ী গ্রামে টেলিভিশনের সংখ্যা কম হবে বলে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়।

সংসদ চ্যানেলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়, এটি জানে ৯৪ শতাংশ, আর জানে না ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। সংসদ চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখে ১১ শতাংশ, দেখে না ৮৯ শতাংশ। যারা দেখে তাদের মধ্যে উপকৃত হচ্ছে ৬৭ শতাংশ, উপকৃত হচ্ছে না ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহায়ক, অনুশীলন বই বা সহায়ক পড়ে ৯৯ শতাংশ, পড়ে না ১ শতাংশ। করোনার সময়ে সহায়ক, অনুশীলন বই নিয়ে শিক্ষায় সহায়তা নিয়েছে ৯৮ শতাংশ, নেয়নি ২ শিক্ষার্থী।

করোনার কারণে পরিবারের ব্যয় কমেছে ৯৭ শতাংশ, কমেনি ৩ শতাংশ অভিভাবকের। শ্রেণি কার্যক্রম হয়নি তারপরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতাভাগ ফি নিয়েছে ৯৩ শতাংশ, কিছুটা কম নিয়েছে ৭ শতাংশ। ৫০ শতাশং টিউশন ফি নিয়েছে ২ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করেনার সময় ৯৯ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোচিং করায়নি।

নির্বাচনের ছুটিতে খোলা থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহে  বাস উল্টে নিহত ২
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াতকে ‘বন্ধু’ বানাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, কূটনীতিকের অডিও …
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
নোবিপ্রবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের নতুন সংগঠন ‘বর্ধিত সাদা দ…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
৮ম পে কমিশনের প্রতিবেদন জমার কত মাস পর গেজেট হয়েছিল? 
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
গণতন্ত্র ও এলাকার উন্নয়নের জন্য ভোট কেন্দ্রে যাবার আহ্বান হ…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬