বিশ্বকাপে যে অভিশাপ তাড়া করছে রোনালদোকে

০২ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ AM
 রোনালদো

রোনালদো © গোল ডট কম

বিশ্বকাপে গোলের পর গোল করে একের পর এক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা ইতিহাসের প্রথম ফুটবলারও তিনি। তবু একটি আক্ষেপ এখনও তাকে তাড়া করে ফিরছে। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আটটি ম্যাচ খেলেও একবারও জালের দেখা পাননি পর্তুগিজ মহাতারকা। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতার সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—নকআউটের সেই অভিশাপ কি এবার কাটবে?

গত সপ্তাহে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে নতুন ইতিহাস গড়েন রোনালদো। বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবে নিজের নাম লেখান তিনি। এটি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ার, কঠোর পরিশ্রম এবং অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতারই প্রমাণ।

তবে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এখনও পূর্ণতা পাননি রোনালদো। শিরোপা তো দূরের কথা, নকআউট পর্বেও কখনো নিজের সেরা রূপ দেখাতে পারেননি।

বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় গ্যারি লিনেকার, থমাস মুলার ও গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার সঙ্গে যৌথভাবে ১১তম স্থানে আছেন তিনি। কিন্তু তার করা ১০টি গোলের প্রতিটিই এসেছে গ্রুপ পর্বে। নকআউটে আট ম্যাচ খেলেও গোলের খাতা খুলতে পারেননি।

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে তাই সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এই পরিসংখ্যান।

২০০৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলেন রোনালদো। ইরানের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করে বিশ্বকাপে পর্তুগালের সবচেয়ে কম বয়সী গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড গড়েন তিনি।

তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। তিনি তখনও মূলত দ্রুতগতির উইঙ্গার। তাই চারটি নকআউট ম্যাচে গোল না পাওয়াকে খুব বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হয়নি।

তবে সেই বিশ্বকাপে অন্য একটি ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেন তিনি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ ওয়েইন রুনির লাল কার্ডের ঘটনায় রেফারিকে প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে রোনালদোর বিরুদ্ধে। এরপর ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বল পেলেই দর্শকদের দুয়ো শুনতে হয় তাকে।

ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার স্টিভেন জেরার্ড বলেন, ‘আমি দেখেছি সে রেফারির কাছে গিয়ে কার্ড দেখানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। আমার মনে হয়েছে, এটা একেবারেই ঠিক হয়নি। যদি সে আমার সতীর্থ হতো, তাহলে আমি খুবই ক্ষুব্ধ হতাম। ওয়েইনকে লাল কার্ড দেখানোর পর সে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে চোখ টিপেছিল। সেটাই তার চরিত্র সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দেয়।’

ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডও সমালোচনা করে বলেন, ‘সে ওয়েইনের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সতীর্থ। তারপরও এমন কাজ করেছে। এটা মোটেও ভালো নয়। আমাদের বলা হয়েছিল, কেউ যদি অন্য খেলোয়াড়কে হলুদ বা লাল কার্ড দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে তাকেও হলুদ কার্ড দেওয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি।’

রোনালদো অবশ্য দাবি করেছিলেন, তিনি কোনো ভুল করেননি।

তবে ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়। ক্রীড়াসুলভ আচরণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তারা রোনালদোর পরিবর্তে লুকাস পোদলস্কিকে টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড় নির্বাচিত করে।

স্টাডি গ্রুপের প্রধান হলগার ওসিয়েক বলেন, ‘আমরা ভালো আচরণ দেখতে চাই। এই বিষয়ে আমরা সমালোচনাও করেছি। খেলোয়াড়দের অন্যদের জন্য আদর্শ হওয়া উচিত। ফেয়ার প্লে আমাদের বিবেচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

২০১০ বিশ্বকাপে রোনালদো ছিলেন পর্তুগালের অধিনায়ক এবং দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার সেই বিশ্বকাপ শেষ হয় চরম হতাশায়।

শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় পর্তুগাল।

পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল করেন রোনালদো। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ৭-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে তিনি দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন। সেটিই ছিল আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার ১৬ মাস পর পাওয়া প্রথম গোল।

স্পেনের কাছে হারের পর ভেঙে পড়েছিলেন রোনালদো।

তিনি বলেন, ‘আমি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছি। ভীষণ হতাশ এবং এমন এক কষ্ট অনুভব করছি, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই হারের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে কোচ কার্লোস কুইরোজকে জিজ্ঞেস করুন।’

এই মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন রোনালদো।

তিনি বলেন, ‘আমি যখন বলেছিলাম, কোচকে জিজ্ঞেস করুন, তখন কুইরোজ সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন বলেই বলেছি। আমি একজন মানুষ। অন্য সবার মতো আমারও কষ্ট হয়। আমি অধিনায়ক এবং সব সময় নিজের দায়িত্ব স্বীকার করেছি, ভবিষ্যতেও করব।’

কোচ কার্লোস কুইরোজও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের স্বার্থের ঊর্ধ্বে কেউ নিজেকে ভাবতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘পর্তুগালের রোনালদোকে প্রয়োজন, আবার রোনালদোরও জাতীয় দলকে প্রয়োজন। কিন্তু এই জার্সি যদি কারও জন্য চাপ হয়ে যায়, তাহলে তার এখানে থাকার কোনো কারণ নেই।’

২০১৪ বিশ্বকাপের আগে প্লে-অফে সুইডেনের বিপক্ষে চারটি গোল করে একাই দলকে ব্রাজিল বিশ্বকাপে তুলেছিলেন রোনালদো।

কিন্তু মূল আসরে চোট নিয়ে খেলতে হয় তাকে। হাঁটু ও উরুর সমস্যায় পুরোপুরি ফিট ছিলেন না।

যদিও ম্যাচের আগে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি শতভাগ ফিট।’

তবে মাঠে তার পারফরম্যান্সে সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা যায়নি।

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৪-০ গোলে হারের ম্যাচে ছিলেন প্রায় নিষ্প্রভ। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিলভেস্ট্রে ভারেলার সমতাসূচক গোলে অ্যাসিস্ট করেন। এরপর ঘানার বিপক্ষে ৮০তম মিনিটে জয়সূচক গোলও করেন।

তবুও গ্রুপ 'জি'-তে তৃতীয় হয়ে বিশ্বকাপ শেষ করে পর্তুগাল। নকআউট পর্বেই উঠতে পারেনি তারা।

রোনালদোকে ঘিরে সমালোচনা শুরু হলেও কোচ পাওলো বেন্তো অধিনায়কের পক্ষেই অবস্থান নেন।

তিনি বলেন, ‘সবকিছুর দায় একজনের ওপর চাপানো ঠিক হবে না। তিনটি ম্যাচেই আমরা দল হিসেবে ভুল করেছি। সেটাই আমাদের ক্ষতি করেছে। আমি কখনো একজন খেলোয়াড়কে দায়ী করব না। এই ব্যর্থতার দায়িত্ব আমার। খেলোয়াড়রা তাদের দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রিশ্চিয়ানো সাধারণত খুব কার্যকর একজন ফুটবলার। কিন্তু এবার সে তা পারেনি। তাই বলে আমি একজন খেলোয়াড়কে দায়ী করব না।’

২০১৮ বিশ্বকাপে এর চেয়ে ভালো শুরু হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। স্পেনের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ৩-৩ ড্রয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। সেই ম্যাচেই বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ক্যারিয়ারের প্রথম ফ্রি-কিক গোল করেন। তার সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে মূল্যবান এক পয়েন্ট পায় পর্তুগাল।

ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত রোনালদো বলেন, 'আমি খুবই আনন্দিত। এটা আমার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের আরেকটি সেরা অর্জন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দল যা করেছে। আমরা বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার একটি দলের বিপক্ষে খেলেছি। দুইবার এগিয়ে থেকেও ম্যাচ ড্র হয়েছে। আমার মনে হয়, ফলটি ন্যায্য হয়েছে। দল খুব ভালো খেলছে এবং আমরা অবশ্যই ভালো কিছু করব।'

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আশা পূরণ হয়নি।

রোনালদোর নেতৃত্বে পর্তুগাল শেষ ষোলোয় উঠলেও নকআউট পর্বে আবারও গোল কিংবা অ্যাসিস্ট—কোনোটিই করতে পারেননি তিনি। সোচিতে উরুগুয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয় পর্তুগাল।

তখন রোনালদোর বয়স ৩৩ বছর। তাই অনেকেই মনে করেছিলেন, এটাই হয়তো তার শেষ বিশ্বকাপ।

তবে জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে তখনই কিছু বলতে চাননি তিনি।

রোনালদো বলেন, 'এ বিষয়ে কথা বলার জন্য এখন সঠিক সময় নয়। তবে আমি নিশ্চিত, আমাদের জাতীয় দল বিশ্বের সেরাদের একটি হিসেবেই থাকবে। এই দলে অসাধারণ খেলোয়াড় আছে, দারুণ একটি দল আছে, তরুণরাও আছে। এই দলের বড় কিছু জয়ের ক্ষুধা রয়েছে। সেটাই আমাকে আনন্দ দেয়।'

কাতার বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস নিয়েই গিয়েছিলেন রোনালদো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দ্বিতীয় অধ্যায়ের হতাশাজনক সমাপ্তির পর সমালোচকদের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি ক্যারিয়ারের একমাত্র অধরা শিরোপা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নও দেখছিলেন তিনি।

কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হয় হতাশা নিয়েই।

শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে বেঞ্চে বসিয়ে দেন কোচ ফার্নান্দো সান্তোস। সেই ম্যাচে রোনালদোর বদলি হিসেবে নামা গনসালো রামোস হ্যাটট্রিক করেন এবং পর্তুগাল ৬-১ গোলের বড় জয় পায়।

এরপর সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, একাদশ থেকে বাদ পড়ায় রোনালদো নাকি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

তবে মরক্কোর কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সব জল্পনা উড়িয়ে দেন তিনি।

রোনালদো লেখেন, 'আমি শুধু সবাইকে জানাতে চাই, আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হয়েছে, অনেক কিছু লেখা হয়েছে, অনেক জল্পনাও হয়েছে। কিন্তু পর্তুগালের প্রতি আমার নিবেদন এক মুহূর্তের জন্যও কমেনি। আমি সব সময় দলের আরেকজন খেলোয়াড় হিসেবে সবার লক্ষ্য পূরণের জন্য লড়েছি। আমি কখনোই আমার সতীর্থ কিংবা আমার দেশের প্রতি পিঠ ফিরিয়ে দিইনি।'

তিনি আরও লেখেন, ‘এই মুহূর্তে আর বেশি কিছু বলার নেই। ধন্যবাদ, পর্তুগাল। ধন্যবাদ, কাতার। এখন সময়কেই বিচার করতে দিতে হবে। সবাই নিজ নিজ সিদ্ধান্ত নিক।’

তখন অনেকেরই ধারণা ছিল, সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবলে রোনালদোর সময় শেষ হয়ে গেছে।

২০২২ বিশ্বকাপে তার একমাত্র গোলটি এসেছিল পেনাল্টি থেকে, ঘানার বিপক্ষে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে তাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান রোনালদো। পরে সুইজারল্যান্ড ও মরক্কোর বিপক্ষে টানা দুই নকআউট ম্যাচেও বেঞ্চে শুরু করেন তিনি।

মরক্কোর কাছে হেরে বিদায়ের পর চোখভরা অশ্রু নিয়ে সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে যান রোনালদো। তখন তার বয়স ৩৭ বছর। আরও দুটি নকআউট ম্যাচ গোলশূন্য কাটানোর পর এমনকি সময়কে বারবার হার মানানো এই কিংবদন্তিও ভেবেছিলেন, হয়তো আর কোনো বিশ্বকাপ তার ভাগ্যে নেই।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, ‘পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাই ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্বপ্ন। ১৬ বছরে পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলেছি। অসাধারণ সব খেলোয়াড়ের সঙ্গে মাঠে নেমেছি, লাখো পর্তুগিজ সমর্থকের ভালোবাসা পেয়েছি। দেশের জন্য আমি আমার সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। মাঠে আমি কখনো লড়াই থেকে পিছিয়ে যাইনি এবং সেই স্বপ্নও কখনো ছাড়িনি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সেই স্বপ্ন গতকাল শেষ হয়ে গেছে।’

ব্যবসায়ীদের জন্য বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর, জেনে নিন আবেদন পদ…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
এনএসইউর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোনীত হলেন আজিজ আল কায়…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
জুলাইয়ের প্রতিটি ঘটনা, তথ্য, ইতিহাস সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রীয়…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পীকার হাফিজ উদ…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
অক্টোবর থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, যা বলছে ইসি
  • ০২ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপে যে অভিশাপ তাড়া করছে রোনালদোকে
  • ০২ জুলাই ২০২৬