গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেই ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা!

২৫ জুন ২০২৬, ০৩:১২ PM
 আর্জেন্টিনা ফুটবল দল

আর্জেন্টিনা ফুটবল দল © টিডিসি ফটো

২০২৬ বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে এগিয়ে চলেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বে আধিপত্য দেখিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর তাতেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান—বিশ্বকাপে যখনই আর্জেন্টিনা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে, বেশির ভাগ সময়ই তারা পৌঁছে গেছে ফাইনালে। ইতিহাসের সেই সুখস্মৃতি এবারও আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে।

বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান বলছে, অতীতে সাতবার গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে নকআউট পর্বে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে চারবারই তারা জায়গা করে নিয়েছে ফাইনালে। অর্থাৎ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ফাইনালে ওঠার হার ৫০ শতাংশেরও বেশি।

আর্জেন্টিনার এই সাফল্যের শুরু ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ থেকেই। সেবার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিল তারা। এরপর ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে নকআউটে উঠে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মাতে আলবিসেলেস্তেরা।

চার বছর পর ১৯৯০ বিশ্বকাপেও একই চিত্র দেখা যায়। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ওঠার পর আবারও ফাইনালে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা। যদিও শিরোপা জিততে পারেনি।

সবশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল লিওনেল মেসির দল। সেই যাত্রার শেষটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরে আর্জেন্টিনা।

তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেই যে সব সময় ফাইনালে ওঠা যায়, এমনও নয়। ইতিহাসে তিনবার গ্রুপের শীর্ষে থেকে নকআউটে উঠেও শেষ পর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি আর্জেন্টিনা।

১৯৬৬ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে। এছাড়া ২০১০ বিশ্বকাপেও গ্রুপে প্রথম হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত শিরোপার লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারেনি তারা।

অন্যদিকে ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ওঠার পর ফাইনালে খেললেও শিরোপা জেতা হয়নি। জার্মানির কাছে হেরে রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা।

চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই গ্রুপ ‘জে’-এর শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে তারা। ফলে শেষ ৩২ পর্বে উঠেছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই।

এই পরিসংখ্যান এখন নতুন করে আশাবাদী করে তুলছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের। অতীতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ওঠার সাতটি ঘটনার চারটিতেই ফাইনালে খেলেছে দলটি। তাই অনেকেই মনে করছেন, ইতিহাস হয়তো আবারও আর্জেন্টিনার পক্ষেই কথা বলছে।

এখন দেখার বিষয়, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেসরা কি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই সৌভাগ্যকে কাজে লাগিয়ে আরও একবার বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছাতে পারেন, নাকি ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় এবার ছেদ পড়ে। তবে পরিসংখ্যান অন্তত আর্জেন্টিনার সমর্থকদের নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর যথেষ্ট কারণ তৈরি করে দিয়েছে।

মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের পরিচর্যার জন্…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
মেরী স্টোপস ক্লিনিকে চাকরি, আবেদন ২২ আগস্ট পর্যন্ত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে স্কিল অ্যান্ড এমপ্লয়েবিলিটি সামিট …
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
পাইকগাছায় বিষধর সাপের উপদ্রব, আতঙ্কে গ্রামবাসী
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
জাপানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে সেমিনার করল ইস্ট ওয়েস্ট ইউন…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
হামলা চালিয়েছে গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’: আমি…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage