ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ © সংগৃহীত
ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ক্রোয়েশিয়া। মার্তিন বাতুরিনার অসাধারণ এক গোলেই সমতায় ফিরেছে দলটি।
বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বাতুরিনার শক্তিশালী শট সোজা জালে জড়িয়ে যায়, কোনো সুযোগই পাননি ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক।
আরও অবাক করার মতো তথ্য দেখানো হয় ডালাস স্টেডিয়ামের বিশাল স্ক্রিনে। সেখানে জানানো হয়, বাতুরিনার শটের গতি ছিল ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। এতটাই দ্রুত ছিল বলের গতি যে, অনেক দেশের মহাসড়কে হলে সেটি হয়তো স্পিড ক্যামেরার নজর এড়াতে পারত না।
এই গোলের পর কিছুটা হতভম্ব হয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ম্যাচে শুরুতে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও হঠাৎ গোল হজম করে নিজেদের ছন্দ হারিয়ে ফেলে থ্রি লায়ন্সরা। আক্রমণ ও মাঝমাঠের সমন্বয়েও দেখা যায় কিছুটা অস্থিরতা।
এর আগে, ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পেনাল্টি নাটকের পর শুরুর দিকেই লিড নেয় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ঠিক নবম মিনিটে অভিজ্ঞ ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ নিজেদের ডিবক্সে ননি মাদুয়েকেকে বেশ অলস ভঙ্গিতেই একটি বিপজ্জনক 'হাই বুট' চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে ফাউল করে বসেন। রেফারি সাথে সাথেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান এবং ইংল্যান্ডকে স্পট কিকের সুযোগ দেন।
দশম মিনিটে পেনাল্টি নিতে আসেন থ্রি লায়ন্স অধিনায়ক হ্যারি কেইন। তবে তার নেওয়া প্রথম শটটি ছিল বেশ দুর্বল। ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচের বাম দিক লক্ষ্য করে শট মারলেও লিভাকোভিচ সেটি সঠিকভাবে অনুমান করে রুখে দেন।
কিন্তু এর পরেই মাঠে শুরু হয় চরম নাটকীয়তা। কেইনের শট নেওয়ার আগেই গোলরক্ষক লিভাকোভিচ গোললাইন ছেড়ে সামনে এগিয়ে এসেছিলেন বলে রায় দেন রেফারি। ফলে পেনাল্টিটি পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ম্যাচের ১২তম মিনিটে কেইন তার দ্বিতীয় সুযোগটি কাজে লাগাতে কোনো ভুল করেননি। গোলরক্ষকের বাম দিক দিয়ে জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি, যেখানে লিভাকোভিচ এবার সম্পূর্ণ ভুল দিকে ঝাঁপিয়েছিলেন। পেনাল্টিটি পুনরায় নেওয়ার পেছনে ভাগ্যের বড় ছোঁয়া থাকলেও, কেইনের দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।