‘সাকিবের জন্য সহানুভূতি নেই, শাস্তি আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল’

২৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:৩৩ PM

এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাসহ দুই বছরের জন্য সব রকমের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে। আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের (আকসু) কাছে দায় স্বীকার করে সাকিব এই সাজা মেনেও নিয়েছেন। 

এই খবরে ইংল্যান্ড ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক ও তারকা ক্রিকেটার মাইকেল ভন এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, সাকিব আল হাসান হলেও কোনো ধরনের সহানুভূতি নেই ... অন্য কেউ হলেও ... বর্তমান সময়ে এসে খেলোয়াড়দের সবসময় জানানো হয়, তারা কী করতে পারবে এবং কী পারবে না এবং কোন বিষয়গুলোতে সরাসরি অভিযোগ জানাতে হবে ... দুই বছর যথেষ্ট নয় ... আরো বেশিদিন হওয়া উচিত ছিল।

এদিকে মাইকেল ভনের স্ট্যাটাসের নিচে অনেকেই কমেন্টে তাকে সমর্থন করেছেন। আবার অনেকেই এ ধরনের মানসিকতার জন্য তার সমালোচনা করছেন। সাকিবের জন্য বহু মানুষ সেখানে খারাপ লাগার কথা বলেছেন।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাকিবের শাস্তির ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি। দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। তবে এক বছরের শাস্তি স্থগিত থাকবে। প্রথম এক বছরের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন নতুন করে কোনো অপরাধ না করলে পরবর্তী এক বছরের শাস্তি পেতে হবে না তাকে। সেক্ষেত্রে আগামী ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন তিনি। আর এই সময়ের মধ্যে আবার কোনো অপরাধ করলে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি উল্লেখ করেছে, ২০১৮ সালে চার মাসের মধ্যে তিনবার জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু কোনোবারই তা জানাননি আকসুকে।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ত্রিদেশীয় সিরিজে দুবার ও একই বছর এপ্রিলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচে একবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেলেও তা আইসিসিকে জানাননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।

আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী আইনে বলা আছে, কোনো ক্রিকেটার যদি জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর বা স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান, তাহলে দ্রুতই তা আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ড কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। না জানালে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী, এই ধারা ভঙ্গের সাজা সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা।

আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার অ্যালেক্স মার্শাল বলেছেন, ‘সাকিব খুবই অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটার। সে অনেক বড় বড় আসরে খেলছে। দুর্নীতির প্রস্তাব পেয়ে তার জানানো উচিত ছিল।’

আইসিসি, জানিয়েছে ২৯ অক্টোবর ২০২০ থেকেই সাকিব আন্তার্জাতিক ক্রিকেটে পুনরায় খেলা শুরু করতে পারবেন।

 

 

এবার তানভীরের আঘাত, বিপদ বাড়াল অস্ট্রেলিয়ার
  • ১১ জুন ২০২৬
স্থগিত হলো পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের নিয়োগ পরীক্ষা
  • ১১ জুন ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ বৃত্তির চেক হস্তান্তর শুরু
  • ১১ জুন ২০২৬
রাজধানীতে চলন্ত মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট ছুড়ে বাইক ছিনতাই…
  • ১১ জুন ২০২৬
মন্ত্রিসভায় ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
  • ১১ জুন ২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা মোবাইলে সহজে দেখবেন যেভাবে
  • ১১ জুন ২০২৬
×