জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

৩০ অক্টোবর ২০১৮, ০৮:৫৩ PM

© সংগৃহীত

শিশুদের তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় আগ্রহী করতে চলতি বছর মার্চ মাস থেকে সারা দেশে ১৮০টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে দেশব্যাপী শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে কম্পিউটার কাউন্সিল ও ইয়াং বাংলা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ২টি গ্রুপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত জুনিয়র এবং ৯ম থেকে ১০ম পর্যন্ত সিনিয়র গ্রুপে ভাগ করা হয়। এই প্রতিযোগীতায় দেশের সকল জেলা হতে ৫ হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। 

মঙ্গলবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশব্যাপী চলা এই প্রতিযোগীতার সমাপ্তি হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি মিলনায়তনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক গ্রুপের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মাঝে ল্যাপটপ, সার্টিফিকেট, একসেট বই, স্মার্টফোন ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

জানা যায়, মে-জুন মাসে সারাদেশের সবগুলো জেলায় ছড়িয়ে থাকা ১৮০টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের আওতায় থাকা শিশুদের নিয়ে শুরু হয় জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপ। এই ল্যাবগুলোর প্রশিক্ষক হিসেবে ওই সকল বিদ্যালয়ের আইসিটি বিষয়ক শিক্ষক ও ইয়াং বাংলার একজন সমন্বয়কারীকে বাছাই করে দুদিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় (ট্রেনিং অব ট্রেইনার- টিওটি)।

স্ক্র্যাচ এবং পাইথন- এই দুই প্রোগ্রামিং ভাষায় প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। তৃতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গ্রুপ ভিত্তিক প্রতিযোগিতা হয় স্ক্র্যাচ নামক ভিজুয়াল ইন্টারেক্টিভ প্রোগ্রামের মাধ্যমে। অন্যদিকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সিনিয়র এবং জুনিয়র দুই ভাগে বিভক্ত করে পাইথন প্রোগ্রামের ওপর প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। 

প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ধাপে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এই শিক্ষক ও ইয়াং বাংলার সমন্বয়কেরা নিজ নিজ জেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বাছাই করে। এই কাজে ইয়াং বাংলার সকল জেলা কো-অর্ডিনেটরবৃন্দ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিজ নিজ জেলার শিক্ষার্থীদের বেছে নেয়। ১২ থেকে ৩০ মে তারিখের মধ্যে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের খবর পৌঁছানো শেষে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এ সময় সারাদেশ থেকে মোট ৫৪০০ শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন করে। তাদের মধ্যে প্রাইমারি স্কুলের শিশুদের জন্য ৩ জন করে ‘স্ক্র্যাচ’ প্রোগ্রামের দল তৈরি করা হয়। অন্যদিকে হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের এককভাবে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ে প্রতিযোগিতার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

ছাত্র-ছাত্রী বাছাই শেষে প্রতিটি ল্যাবে তিনদিন করে পাইথন এবং তিনদিন করে স্ক্র্যাচ এর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। তারপর ২ জুন ২৭০০ শিশুর ৯০০ দল এবং হাইস্কুল পর্যায়ের ২৭০০ শিক্ষার্থী নিয়ে জেলা পর্যায়ে স্ক্র্যাচ ও পাইথন ভিত্তিক অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ‘কোড মার্সাল’ নামে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার জন্য অনলাইন প্লাটফর্মে প্রতিযোগিতা করে শিক্ষার্থীরা। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিটি জেলা থেকে পাইথন ভিত্তিক বিজয়ী এবং স্ক্র্যাচ ভিত্তিক একটি করে বিজয়ীদলের নাম ঘোষণা করা হয়।

প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ধাপে জেলা ভিত্তিক বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী স্ক্র্যাচ ভিত্তিক জাতীয় ক্যাম্প এবং পাইথন ভিত্তিক জাতীয় ক্যাম্প পৃথকভাবে আয়োজন করা হয় সাভারের শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইয়ুথ সেন্টারে। সারাদেশে ৬৪ জেলা থেকে ৫৫টি স্ক্র্যাচ দল ৭ জুন স্ক্র্যাচ ক্যাম্পে অংশ নেয়। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ইনস্টিটিউট (আইআইটি)-এর শিক্ষকদের সহায়তায় প্রাইমারি স্কুলের এই শিক্ষার্থীরা স্ক্র্যাচের ওপর আরও বিস্তারিত প্রশিক্ষণ অর্জন করে এবং ৮ জুন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এই দুদিন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ প্রোগ্রামিং ও প্রোগ্রামারদের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা লাভ করে।

অন্যদিকে ৯ জুন ১২৮ জন পাইথন প্রোগ্রামার নিয়ে পাইথন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এই শিক্ষার্থীদের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত জুনিয়ার এবং নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সিনিয়র এই দুই ভাগে ভাগ করা হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ইনস্টিটিউট (আইআইটি)-এর শিক্ষকদের সহায়তায় তাদের পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ওপর আরও বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ১০ জুন ১২৮ জনের মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

অবশেষে মঙ্গলবার প্রতিযোগীরা তাদের কাজের স্বীকৃতিসরুপ প্রতি বিভাগে ছয়টি ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার লাভ করে।  পুরস্কার হিসেবে বই, ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ট্যাব বা ল্যাপটপ প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। 

এসময় মন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শিশু, কিশোরদের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা তথ্যপ্রযুক্তি চর্চার ক্ষেত্রে মাইলফলক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রোগ্রামিং মেধার বিকাশ ও সৃজনশীলতার ক্ষেত্রকে বিকশিত করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব জুয়েনা আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিসিসি এর নির্বাহী পরিচাল পার্থপ্রতীম দেব, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন সামস ও বিসিসি এর পরিচালক ইনামুল হক।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ৬ অক্টে…
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীড় সেবা সংস্থায় ৩ পদে নিয়োগ, আবেদন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল সাইকেল আরোহীর
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোনায় ডোবায় পড়ে প্রাণ গেল দুই শিশুর
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উচ্চশিক্ষায় পরামর্শ দেওয়ার জন্য জনবল নিয়োগ দেবে সাগর গ্লোবা…
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামায়াতের কারণেই আওয়ামী লীগ আন্দোলনের সাহস পাচ্ছে: রাশেদ খান
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9