শাবিপ্রবির হল খুলছে কাল, ক্লাস শুরু মঙ্গলবার

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৮:০১ PM
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি

আগামীকাল সোমবার থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়া হবে। এরপরের দিন অর্থাৎ আগামী মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে সকল বিভাগ অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করতে পারবে। রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরী সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল সমূহ খুলে দেওয়া হবে। এরপর আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করতে পারবে।সরকারি অন্য কোনো বিধিনিষেধ না থাকলে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারী থেকে সশরীরে ক্লাস শুরু হবে।

গত ১৬ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সঙ্গে এদিন দুপুরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

এর আগে, গত ১৩ জানুয়ারি থেকে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ১৬ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হামলা চালায় পুলিশ। ওই ঘটনায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন: শাবিপ্রবি ভিসি থাকলো, আন্দোলন শেষ হলো

শাবিপ্রবিতে আন্দোলনের সূত্রপাত বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল নিয়ে। গত বছরের ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খুলে দেওয়া হয়। প্রায় ১৯ মাস পর ওইদিন থেকে হলে ফিরতে শুরু করেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। ফেরার পর হলে তারা বিভিন্ন সংস্কার দেখতে পান। পাশাপাশি বেশকিছু নতুন নিয়মনীতি ও সমস্যার সম্মুখীন হন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের আবাসিক ছাত্রীরা।

এরপর থেকে হলের এসব নিয়মনীতি, সিট বণ্টন, খাবার সমস্যা, ওয়াইফাই সমস্যা, পানির সমস্যা, বাইরের হোস্টেলের ভাড়া নিয়ে দিন দিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হল প্রভোস্ট বডির দূরত্ব বাড়তে থাকে। ছাত্রীদের অভিযোগ, এসব বিষয়ে অভিযোগ করে প্রভোস্ট বডির ‘অসদাচরণের’ শিকার হয়েছেন তারা।

এসব কারণে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

এরপর ১৬ জানুয়ারি বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

এরপর শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় উপাচার্যকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করে এতদিন আমরণ অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) টানা সাতদিনের অনশন ভাঙলেও উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা।

হার দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটি অধ‍্যায় শেষ করলেন গার্দিওলা
  • ২৫ মে ২০২৬
কমলাপুর রেলস্টেশনে ডিএমপির কে-নাইন ইউনিট মোতায়েন
  • ২৫ মে ২০২৬
যশোরে ভিজিডির চাল চুরির দায়ে ইউপি চেয়ারম্যানের ১৩ বছর জেল
  • ২৫ মে ২০২৬
আমরা জুলাইয়ের প্রতিপক্ষ নই: আইনমন্ত্রী 
  • ২৫ মে ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে অশালীন পোস্টের অভিযোগে আটক স…
  • ২৫ মে ২০২৬
যৌন নির্যাতনের দায়ে সাময়িক বহিষ্কারের পর এবার ছাত্রত্ব বাতি…
  • ২৪ মে ২০২৬