© ফাইল ফটো
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। নিয়োগের যোগ্যতার শর্ত (ক্রায়টেরিয়া) নির্ধারণ কমিটির সুপারিশ অনুসারে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী বিভাগটিতে শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়া এবং ওই যোগ্যতা ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়োগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি জে বি এম এম হাসান এবং বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার (৯ মার্চ) এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল হক তুহিন।
জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগে দুইজনকে প্রভাষক পদে নিয়োগে ক্রায়টেরিয়া নির্ধারণ কমিটির সুপারিশ মোতাবেক শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত পূরণ না করেই নিয়োগ দেওয়া হয়। আবার নিয়োগের পর উপাচার্যের নির্দেশে প্রভাষক পদে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্তে পরিবর্তন আনা হয়।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রভাষক পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, “প্রার্থীকে শিক্ষা অথবা শিক্ষা সমতুল্য বিষয়ে সমমানের চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর থাকতে হবে। নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশে এই যোগ্যতা লঙ্ঘন করে আইটি বিভাগ থেকে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত দুই প্রভাষক মুনিরা আকতার লতা এবং ফারহানা ইসলাম একই শিক্ষাবর্ষের এবং একই বিশবিদ্যালয় থেকে পাস করা বলে জানা যায়।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ না দিয়ে যোগ্যতা না থাকা প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থী মো. সাব্বির হোসেন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির সাবেক সংযুক্ত শিক্ষক মো. জুলহাস আহমেদ।
এতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, শিক্ষা বিভাগের সভাপতি বিবাদী করা হয়।