হল বন্ধ রেখে চুয়েটে স্নাতকের চূড়ান্ত পরীক্ষা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

২০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৩ PM

© ফাইল ফটো

করোনায় আটকে থাকা স্নাতক শেষ বর্ষের (২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের) শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষা আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে স্বশরীরে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) কর্তৃপক্ষ। আজ রবিবার (২০ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর অনলাইনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে ইউজিসির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে অল্প কয়েকদিনের মাথায় এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে চুয়েট কর্তৃপক্ষ।

চুয়েট কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী ৩ জানুয়ারি ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের প্রায় সাতশ শিক্ষার্থীদের নিয়ে চুয়েট প্রাঙ্গণে এই পরীক্ষা শুরু হবে। এসময় পরীক্ষার্থীরা আবাসিক হলগুলোতে অবস্থান করতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার এক ঘন্টা পূর্বে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে এবং পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক ঘন্টার মধ্যেই পরীক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ত্যাগ করতে হবে। তবে প্রতি পরীক্ষার দিন চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীদের আনা নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

এদিকে, তড়িঘড়ি করে নেয়া চুয়েট কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে, শর্ট নোটিশের মধ্যে আবাসিক হল বন্ধ রেখে এমন আয়োজন হিতে বিপরীতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্নাতক শেষবর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, গত ১০ ডিসেম্বর অনলাইনে পরীক্ষা নিবে বলে প্রশাসন ঘোষণা দিসিলো। ঘোষণার কয়েকদিনের মাথায় প্রশাসন তার সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে বলে অফলাইনে পরীক্ষা নিবে। কিন্তু আবাসিক হল বন্ধ থাকবে। এখন এই মুহূর্তে থাকার জন্য মেসের ব্যবস্থা করা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার। পরীক্ষার জন্য পড়ব নাকি মেস খুঁজবো এটা নিয়ে মানসিকভাবে দুঃশ্চিন্তায় আছি। তাছাড়া একজন শিক্ষার্থী আবাসিক হলে থেকে পরীক্ষা দেয়ার চেয়ে বাইরে থেকে পরীক্ষা দিতে গেলে সে করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে বেশি থাকে। এভাবে প্রশাসন জোর করে সিদ্ধান্ত চাপায় দিলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতপার্থক্যের সৃষ্টি হবে। আশা করব, প্রশাসন তার সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল উন্মুক্ত করে দিবে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চের মধ্যে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সকল শ্রেণি কার্যক্রম ও ল্যাব শেষ হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারনে চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা আটকে যায়। এর মধ্যে ৪৩তম বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হচ্ছে। এতে আবেদন করার অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবশেষে আজকের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে সেই অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে।

নিয়োগের দাবিতে এবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে চাকরিপ…
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ-অগ্নিসংযোগ
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
‘এনসিপি করি বলে বাসা ছাড়ার নির্দেশ’, ভিডিও বার্তায় আবেগতাড়ি…
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবক নিহত
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ধানের ন্যায্যমূল্যের দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ মিছিল
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬