বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে রূপ নেয় করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরাও। এই ভাইরাসের আতঙ্কে শনিবার ক্লাসে যাননি তারা। কিছু শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বের হলোও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারসহ প্রায় সবগুলো বিভাগ শিক্ষার্থী শূন্য ছিল।
সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরে বুয়েটের একাডেমিক ভবনগুলো, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, অধিকাংশ বিভাগের ক্লাস-রুম ও গ্রন্থাগার ছিল ফাঁকা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার সামনে কিছু শিক্ষার্থীর সমাগম দেখা যায়। সেখানকার কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনাভাইরাস আতঙ্কে তারা ক্লাস করেননি। ঘোষিতভাবে ক্লাস বর্জন নয়, নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ক্লাসে যাননি। ক্লাস প্রতিনিধি শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করতে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছিলেন বলে জানান তারা।
একটি বিভাগের প্রতিনিধি গণমাধ্যমকে বলেন, “করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতে আমরা বেশ কয়েকটি বিভাগের রিপ্রেজেন্টেটিভ রাতে এ বিষয়ে মিটিং করেছি। আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে শুধুমাত্র আজকে একটা দিন ক্লাস বর্জন করা হয়েছে।
“এখন এটা নিয়ে আমরা শিক্ষকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করছি। বুয়েট একেবারে বন্ধ হয়ে যায়নি। আমরা শিক্ষকদের সাথে কথা বলে দেখি, তারপর কোনো সিদ্ধান্ত হলে আনিুষ্ঠানিকভাবে জানাব।”
এদিকে ক্যাম্পাস খোলা রয়েছে বলে জানান বুয়েটের ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, “ক্লাস বন্ধের বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় খোলা আছে। বৃহস্পতিবার আমাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছিল। সেই কারণে আজকে হয়ত তারা ক্লাস নাও করতে পারে। তবে বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”