সম্মাননা গ্রহণ করছে হাবিপ্রবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো.ফজলুল হক (মুক্তিযোদ্ধা)
মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখার জন্য কালেরকন্ঠ শুভ সংঘ থেকে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো.ফজলুল হক (মুক্তিযোদ্ধা)।
শুক্রবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে কালেরকন্ঠ শুভ সংঘের উদ্যোগে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা কালের কন্ঠের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। এতে কালেরকন্ঠ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবি ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা.মো.ফজলুল হক (সম্মাননা স্মারক এর জন্য মনোনীত), দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইন চার্জ মোজাফফর হোসেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরুপ বকশি বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, দিনাজপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক বিশ্বজিৎ দাস ও দেলোয়ার হোসাইন প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কালেরকন্ঠ শুভ সংঘের দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ইউনিটের প্রতিনিধিগণ।
কালের কন্ঠ শুভ সংঘের জেলা সভাপতি রাসেল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেন, সাংবাদিকতা অনেক ঝুকিপূর্ণ পেশা। এই পেশায় বিভিন্ন বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হয়। কালের কন্ঠকেও বিভিন্ন বাধা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে আসতে হয়েছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে তাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও স্বচ্ছতার জন্য। আর এমন একটি দিনে এই পত্রিকাটি চালু হয়েছে যে দিনটাতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখু মুজিবুর রহমান সদর্পে দেশে পদার্পণ করেন। আমি ধন্যবাদ জানাই কালের কন্ঠকে আজকের এই দিনটাতে দেশের জন্য জীবনবাজি রেখে যারা যুদ্ধ করেছেন; সেইসব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা স্বারক প্রদানের জন্য। জন্য সর্বোপরি আমি কালের কণ্ঠের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
সম্মাননা স্মারকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক বলেন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই কালের কন্ঠ পরিবারকে আমাকে সম্মাননা প্রদানের জন্য । আমি কালের কণ্ঠের একজন নিয়মিত পাঠক এবং কালের কন্ঠ উপ-সম্পাদকীয়তে আমার শতাধিক লিখা প্রকাশিত হয়েছে। আজ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কয়েক মাস পর আমরা কয়েকজন ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা দেখা করতে গণভবনে যাই। তখন বঙ্গবন্ধু অপারেশনের কারনে অসুস্থ ছিলেন। আমাদের কথা শুনে তিনি অসুস্থ শরীর নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলতে নিচে নেমে আসেন। অতঃপর তিনি আমাদের নাম জিজ্ঞেস করেন এবং বলেন, তোমরা মন দিয়ে লেখাপড়া করবে আর কখনো নকল করার চেষ্টা করবে না । সব সময় সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকবে এবং গরীব ও মেহনতি মানুষদের সাহায্য করার চেষ্টা করবে । মনে রাখবে, আগামীতে তোমাদেরকেই দেশের হাল ধরতে হবে। পরে তিনি আমাদের সাথে একটি ছবি তুলেন কিন্ত দুঃখের বিষয় সি ছবিটি আমি সংগ্রহ করতে পারি নাই ।
প্রসঙ্গত,কালের কণ্ঠের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশের ৬৪ জেলার ৬৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে এই সম্মাননা স্মারক প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এতে দিনাজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা এর জন্য নির্বাচিত হন হাবিপ্রবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো.ফজলুল হক (মুক্তিযোদ্ধা) ।