জাবিপ্রবির বাসে তেল নেওয়ার সময় প্রতিবার ২০ লিটারের হিসাব গরমিল

১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ PM
জাবিপ্রবির বাস

জাবিপ্রবির বাস © সংগৃহীত

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের বাসে প্রতিবার জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় পরিমানের চেয়ে ২০ লিটার পর্যন্ত বেশি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবার বাসে ১৩৪ বা ১৩৫ লিটার তেল নেওয়া হলেও রসিদ ও ভাউচারে ১৫৫ লিটার লেখা হতো। সরবরাহ না করা তেলের বিপরীতে দেখানো অতিরিক্ত অর্থ পেট্রোল পাম্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার দাবি করেছেন পরিবহন-সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের বাসে জ্বালানি তেল কেনার হিসাব নিয়ে ওঠা এ অভিযোগের পক্ষে একটি ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন এক শিক্ষার্থী। তাঁর দাবি, ওই দিন বাসে তেল নেওয়ার সময় ডিজিটাল মিটারে ১৩৪ লিটার দেখতে পেলেও পরে রসিদ ও ভাউচারে ১৫৫ লিটার লেখা দেখেন। বিষয়টি নথিবদ্ধ রাখতে তিনি মিটার রিডিং ও ভাউচারের ছবি তুলে রাখেন ওই শিক্ষার্থী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিবহন দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাসে প্রতিবার তেল নেওয়ার সময় বা চালানে নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে অন্তত ২০ লিটার পর্যন্ত তেল কম নিয়ে তা নথিপত্রে অতিরিক্ত হিসেবে দেখানো হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাসে প্রকৃতপক্ষে ১৩৪ বা ১৩৫ লিটার তেল দেওয়া হলেও খাতায় বা রেজিস্টার স্লিপে ১৫৫ লিটার হিসেবে জমা দেখানো হতো। অর্থাৎ, প্রতি চালানে প্রায় ২০ লিটার তেল বাস্তবে সরবরাহ না করেই কাগজে-কলমে ভুয়া হিসাব দেখিয়ে তা উত্তোলন করা হতো।’

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিবার ১৩৪ বা ১৩৫ লিটার তেলের বিপরীতে ১৫৫ লিটার দেখানো হলে নথিতে ২০ থেকে ২১ লিটার তেলের ব্যবধান তৈরি হয়। এভাবে একাধিক চালানে অতিরিক্ত তেলের হিসাব দেখানো হলে জ্বালানি কেনার প্রকৃত ব্যয় ও নথিভুক্ত ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তেল চুরির ঘটনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শী ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘দুপুর ১টার বাসটি ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে আনুমানিক ২টা ৮ মিনিটে পাম্পে তেল নিতে থামলে আমি কাছেই অবস্থান করছিলাম। ডিজিটাল মিটারে স্পষ্ট ১৩৪ লিটার উঠতে দেখলেও পরে রিসিপ্ট এবং ভাউচারে ১৫৫ লিটার লেখার বিষয়টি লক্ষ্য করি। সঙ্গে সঙ্গে পাম্পের মিটার রিডিং ভাউচারের ছবি তুলে রাখি, যাতে পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে দেখাতে পারি।’

ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগ, বাসের চালক ও পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজারের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে এ কারচুপি করা হতো। তাঁর দাবি, স্লিপে উল্লেখ করা পরিমাণের পুরো তেল সরবরাহ না করে অবশিষ্ট তেলের সমপরিমাণ অর্থ নগদে লেনদেন করা হতো।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও উপসহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. শামীম আহমেদ বলেন, ‘বড় কোন ব্যবধান দেখলে আমরা সেগুলো যাচাই করি। তেল আনতে আমিও কয়েকবার গিয়েছিলাম। তবে আমাকে কাগজগুলো আরেকবার দেখতে হবে।’

মুম্বাইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ থেকে অভিনেতা ইমরান খান…
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ৩০১ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে বিজ্ঞ…
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
এসএসসিতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে বৃত্তি পেলেন ১১১৮ জন, দেখুন ত…
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় রাবিতে বিশেষ সিন্ডিকেট ১৫ অক্টোবর
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষকদের নতুন পে-স্কেলে বেতন পেতে দেরি কেন, জানাল অর্থ বিভ…
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষাখাতের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: ভূমিমন্ত্রী
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬