মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে সব ট্রেনের স্টপেজ চেয়ে রেল কর্তৃপক্ষকে যবিপ্রবির চিঠি

১৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ PM
টিডিসি সম্পাদিত

টিডিসি সম্পাদিত © সংগৃহীত

প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের রেলযাত্রার দুর্ভোগ লাঘবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্নিকটস্থ মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে দূরপাল্লার আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(যবিপ্রবি) প্রশাসন। এ পরিপ্রেক্ষিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে যবিপ্রবি প্রশাসন।

বুধবার (১২ আগস্ট) যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের নির্দেশক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত একটি পত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। পত্রটির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শিক্ষা ও গবেষণা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ র‌্যাংকিংয়ে, যেমন-টাইমস হায়ার এডুকেশন র‌্যাংকিং, কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং এবং এলসেভিয়ারের র‌্যাংকিংয়ে শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। বর্তমানে ঝিনাইদহ ভেটেরিনারি কলেজকে আত্তীকরণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৮টি বিভাগ, ৮টি অনুষদ, ২টি ইনস্টিটিউট, ৬টি আবাসিক হল এবং ২৪টি দপ্তর রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ লাঘবে মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে অবিলম্বে দূরপাল্লার আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। তিনি মনে করেন, এটি বর্তমান সরকারের একটি সময়োপযোগী ও জনবান্ধব সিদ্ধান্ত হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব করার লক্ষ্যে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এই উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্নিকটে অবস্থিত মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীকে শিক্ষা, গবেষণা, দাপ্তরিক, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নিয়মিত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি কার্যকর রেল যোগাযোগের সুবিধা না থাকায় তাদের প্রায় ১২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে যশোর জংশন রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হয়। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব হয় না এবং ট্রেনও হাতছাড়া হয়ে যায়। মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে স্টপেজ চালু হলে একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আমরা আশাবাদী।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে কাছের রেলস্টেশন হলো যশোর সদর উপজেলার ৭নং চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের অন্তর্গত মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশন। তবে স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে সেখানে একটি মেইল ট্রেন ছাড়া কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ নেই। চুড়ামনকাঠি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামে কর্মবীর মুন্সি মেহেরুল্লাহর নামানুসারে রেলস্টেশনটির নামকরণ করা হয় মেহেরুল্লাহনগর।

সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক নিয়ে জামায়াত নেতার প্রশ্ন
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রেশম্যান ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
দুপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট, বিকেলে পালাল কিশ…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
শাবিপ্রবিতে র‌্যাগিং: নবীন ৪ শিক্ষার্থীকে বিকৃত যৌন অভিনয় ক…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ায় স্বপ্নের মতো দিন বাংলাদেশের
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগ দেবে ২১…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬