নেপথ্যে বহিষ্কৃত দুই শিক্ষক-কর্মকতা

যবিপ্রবিতে নিয়োগ বন্ধের ষড়যন্ত্র, মন্ত্রণালয়-ইউজিসিতে ‌‘উড়ো চিঠি’ পাঠানোর অভিযোগ

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৯ PM , আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ PM
যবিপ্রবি লোগো

যবিপ্রবি লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ দায়িত্ব নেন। এরপর গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছে আব্দুল মজিদ প্রশাসন। নিয়োগ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছতার সাথে চলছে।

তবে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পর্শকাতর নথি বাইরে পাচারের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কৃত হয়েছেন দুই শিক্ষক-কর্মকতা। এরপর তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন-ইউজিসিতে ‌‘উড়ো চিঠি’ পাঠিয়ে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের ষড়যন্ত্র করছেন বলে জানা গেছে।

সাময়িক বহিষ্কৃতরা হলেন-সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন ও নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মিজানুর রহমান। তারা দুজনই আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর ‘উড়ো চিঠি’ পাঠানোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাদের এমন বেআইনি কর্মকাণ্ডে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। 

জানা গেছে, সম্প্রতি যবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন অন্যের নাম জালিয়াতি করে স্পর্শকাতর নথি পাচারের সাথে জড়িত থাকার বিষয় ব্যাপক আলোচনায় আসে। পরে তা প্রমাণিত হওয়ায় সাময়িক বরখাস্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ড। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দপ্তর থেকে স্পর্শকাতর নথি সংগ্রহ ও পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই শিক্ষকের বন্ধু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মিজানুর রহমানও সাময়িক বরখাস্ত হন। এরপর তারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ড. মো. আমজাদের কিছু অনুগত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা অর্থের বিনিময়ে মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও সরকারি অফিসগুলোতে এই ‘উড়ো চিঠি’তে অপতথ্য ছড়াতে সহযোগিতা করছে বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছতার সাথে চলার পরও অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে এই কুচক্রী মহল। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। জানতে চাইলে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া যবিপ্রবির নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনাকাটায় অনিয়ম ধরিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ এনে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে পারত, কিন্তু পারবে না। কারণ অভিযোগ প্রমাণিত হবে না।

অপরদিকে সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট। তাছাড়া সুস্পষ্টভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও তিনি দাবি করেন।

সার্বিক বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র করছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছতার সাথে চলবে।

ঈদে বাড়িতে না যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বেরোবি উপাচার্যের বি…
  • ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ
  • ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদ আসে-ঈদ যায়, প্রিয়জনের শূণ্যতা ঘোচে না
  • ২১ মার্চ ২০২৬
 ৪০০০ কিমি দূরে ব্রিটিশ-মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত…
  • ২১ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ বাতিল আয়ারল্যান্ডের
  • ২১ মার্চ ২০২৬
বিনা মূল্যে পিএইচডির সুযোগ নিউজিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটিতে, থ…
  • ২১ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence