সচিবালয়, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ও বাংলাদেশ সরকারের লোগো © টিডিসি সম্পাদিত
১৮তম নিবন্ধনধারীদের জন্য সংরক্ষিত ৬ হাজার পদ বাতিলসহ ৭৫ হাজার পদে দ্রুত বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাশী প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বরাবর একটি চিঠিতে এ দাবি জানান তারা।
প্রথম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির জন্য যাচাই-বাছাই শেষে প্রাপ্ত ৭৫ হাজার ৭৬৯টি শূন্যপদ অক্ষুন্ন রেখে দ্রুত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং ১৮তম নিবন্ধনধারীদের জন্য ৬ হাজার পদ সংরক্ষণের প্রস্তাব বাতিলের দাবি ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাশী প্রার্থীদের।
আবেদনে তারা বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এনটিআরসিএ কর্তৃক গত ২৯ মার্চ প্রকাশিত ই-রিকুইজেশন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদের ই-রিকুইজিশন সংগ্রহ করে।
পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে ৭৫ হাজার ৭৬৯টি শূন্যপদ চূড়ান্ত করা হয় বর্তমানে উক্ত শূন্যপদসমূহের ভিত্তিতে ১ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে শূন্যপদ থেকে প্রায় ৬ হাজার পদ ১৮তম নিবন্ধনধারীদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাবের খবর আমাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।’
আরও পড়ুন : বই মুদ্রণকারীদের জন্য কড়া সতর্কবার্তা শিক্ষামন্ত্রীর
তারা আরও বলেন, ‘১৮তম নিবন্ধনে বঞ্চিত প্রায় ৬ হাজার প্রার্থীর অধিকাংশই প্রভাষক পদ সংশ্লিষ্ট ফলে এসব পদ সংরক্ষণ করা হলে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ করে প্রভাষক পদের শূন্যপদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
এর ফলে পদার্থবিজ্ঞান, আরবি, গণিত, বাংলা, ইংরেজি, রসায়ন, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস, সমাজকর্ম, ফিন্যান্স, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে শূন্যপদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে, এমনকি কিছু বিষয়ে কোনো শূন্যপদই অবশিষ্ট নাও থাকতে পারে। এতে ১ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাশী প্রার্থীরা তাদের ন্যায্য আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।’
১৮তম নিবন্ধনধারীদের ইতোমধ্যে সাধারণ ও বিশেষ উভয় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মোট দুইবার নিয়োগের সুযোগ প্রদান করা হয়েছে; তাই পুনরায় ১ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শূন্যপদ থেকে তাদের জন্য পৃথকভাবে পদ সংরক্ষণ ন্যায়সংগত হবে না।