সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © টিডিসি ফটো
আগামীকাল শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এর প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সাইবার নজরদারির মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস শনাক্ত করা হবে। সোমবার (২০ এপ্রিল) চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আমরা নজরদারি করছি সাইবার ক্রাইমে, প্রশ্নপত্র যারা থানা থেকে নেবেন তারা কোনো ক্রাইম করছে কিনা, তাদের লিস্ট আমরা নিয়েছি। আমরা মনিটরিং সেল করেছি, এর মধ্যে কিছু হয় কিনা সেজন্য আমরা এগুলো খুব সুন্দরভাবে সবকিছু করেছি। আমরা একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ করেছি। সেখানে ডিসি ইউএনওসহ সবাই থাকছেন।
তিনি আরও বলেন, এবার পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্ট ১৯৮০ যেটা রয়েছে সেটাকে আমরা কয়েকদিনের মধ্যে ‘ল’ মিনিস্ট্রিতে পাঠানো হয়েছে। এই আইনে ডিজিটাল ক্রাইমের কথা ছিলো না। এগুলো ইনক্লুড করা হয়েছে। এবং পরীক্ষার যে ফিনেশন সেটা বদলানো হয়েছে। মেট্রিম ও ইন্টার ছিলো আগে অন্যান্য পরীক্ষা ছিলো না।
খাতা দেখার সময় মানবিক নম্বরের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, আমরা যেটা করছি সেটা হলো আমাদের বোর্ডের পরীক্ষকদের খাতা দেখার জন্য এনাফ সময় দেয়া হচ্ছে। খাতা দেখার পদ্ধতি সঠিক আছে কিনা সেগুলো আমরা আলোচনায় এনেছি। না, আমরা এমন কোনো ইনট্রাকশন দেইনি যে মানবিক নম্বর দেবে।
কোচিং নিয়ে মন্ত্রী বলেন, যখন ক্লাসে ঠিকমতো লেখাপড়া হয় না তখনই কোচিংয়ের প্রয়োজন পড়ে। কোচিং সেন্টারের কোনো তালিকা কি আমাদের আছে? আমরা কোচিংকে কোনো রেজিস্ট্রশনই দেইনি।
তিনি বলেন, সাইবার ক্রাইম কীভাবে কন্ট্রোল করা যায় সেজন্য সাইবার স্পেশালিস্টদের কাছে নম্বর পাঠিয়ে দিয়েছি।