তিন মাসের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

১০ মার্চ ২০২৬, ০২:১২ PM
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত

আগামী তিনমাসের মধ্যে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তুরের শিক্ষকসহ দুই মন্ত্রণালয়ের অধীনে সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শূন্যপদে  নিয়োগ দেওয়ার তাগাদা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীতে  ‘শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন ইশতেহার ২০২৬ বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রী এই তাগাদা দেন।

তিনি বলেন, তিন মাস পরে আমি আর কোনো শিক্ষক শূন্য পদ দেখতে চাই না। প্রতিদিন পত্রিকার পাতায় দেখতে পাই শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ব্যহত হওয়ার খবর। তাই তিনমাসের মধ্যে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তুরের শিক্ষকসহ দুই মন্ত্রণালয়ের অধীনে সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শূন্যপদে নিয়োগ দিতে হবে। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাকে মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে এনে সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও বাস্তব দক্ষতা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের জনসংখ্যাগত সুবিধা তথা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড এবং ভবিষ্যতের লংজেভিটি ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগাতে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মক্ষম যুব জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুস্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। 

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বিএনপির শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হবে জীবনমুখী, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে শিক্ষাখাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায় থেকে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু করা, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও নৈতিক শিক্ষায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা, পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল চালু করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

সভায় মন্ত্রী, শিক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা, সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং ডিজিটাল এডু-আইডি চালুর বিষয়েও সভায় আলোচনা করা হয়। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে আইটি, বিজ্ঞান ও পেশাভিত্তিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

রাকসুর ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাবিতে ছাত্রদলের বিক্…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
ভারত সিরিজ নিয়ে এখনো আলোচনা চলমান: তামিম
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
সরকারিভাবে চাকরির সুযোগ ব্রুনাইয়ে, পদ ১৭২, আবেদন ২৩ আগস্ট প…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ কাল
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রতিবন্ধীদের সুরক্ষা চ্যারিটি নয়, নাগরিক অধিকার: স্বাস্থ্য…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬