কোটা আন্দোলনের জের
ফাইল ছবি
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে কোন ধরণের অনাকাক্ষিত ঘটনা এড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবস্থান ও ঘোরাফেরা এবং যে কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা প্রক্টরের অনুমতি নিয়ে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে অবস্থান ও ঘোরাফেরা কিংবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংগঠিত কতিপয় অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার তদন্ত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে ওই প্রভোস্ট কমিটিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিরাগতদের অবস্থানের বিষয়ে প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবে। সভার অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে- ছাত্রত্ব নেই এমন অছাত্রকে কর্তৃপক্ষ হলে অবস্থান করতে দেবে না, কয়েক দিনের মধ্যেই অছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দিয়ে নোটিশ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে হলে কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, আবাসিক হল ও হোস্টেলগুলোতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন, চরমপন্থী ও উগ্র ভাবাদর্শ প্রচারে ও কর্মকান্ডে কেউ সংশ্লিষ্ট আছে কি না, সে বিষয়ে সতর্ক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও হল প্রশাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
কোনো অবস্থাতেই যাতে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ও চরমপন্থীরা হলে প্রবেশ এবং অবস্থান করতে না পারে, সে ব্যাপারে হল প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও তৎপর থাকতে হবে। এ বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সব হলে অবস্থানরত ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হল প্রশাসন নিয়মিত মতবিনিময় সভা করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা ও শিক্ষাবিষয়ক কর্মকান্ড ব্যতিত আবাসিক হল ও হোস্টেলে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ও স্বাভাবিক জীবনে বিঘ্ন ঘটায়-এমন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।