পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন ও ফল প্রকাশে নতুন আইন হচ্ছে

১৪ অক্টোবর ২০২৩, ০১:২৩ PM , আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০২:৪৫ PM
পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন ও ফল প্রকাশে নতুন আইন হচ্ছে

পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন ও ফল প্রকাশে নতুন আইন হচ্ছে © ফাইল ছবি

দেশে জরুরি অবস্থা বা মহামারিতে শিক্ষা বোর্ডগুলোকে সংক্ষিপ্ত আকারে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন ও ফল প্রকাশের ক্ষমতা দিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন আইন। ইতিমধ্যে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২৩’ নামে এ আইনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো খসড়ার সার-সংক্ষেপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পুনঃসংগঠন, পরিচালন, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ‘দ্য ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১’ ও ‘দ্য রেজিস্ট্রেশন অব প্রাইভেট স্কুলস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬২’ বাতিল ও যুগোপযোগী করে নূতনভাবে আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।

প্রস্তাবিত খসড়া আইন অনুযায়ী, এক বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অন্য বোর্ডে বদলি করা যাবে। বর্তমানে এ ধরনের বদলির কোনো সুযোগ নেই। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান বলেন, আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আইন হচ্ছে। এতে মহামারিকালে বা জরুরি অবস্থায় শিক্ষা বোর্ডগুলোকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে। -অধ্যাপক তপন কুমার সরকার, চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

আইনের খসড়া মতে, শিক্ষা বোর্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে আর্থিক সংশ্লেষ আছে এমন ব্যক্তিদের পরিচালনা পর্ষদে রাখা যাবে না। এতে বলা হয়েছে, দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে তিন বছর মেয়াদি ১২ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হবে। এর সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান। এই পর্ষদের অধীনে অর্থ কমিটি, নিয়োগ ও পদোন্নতি কমিটিসহ ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি হবে।

বোর্ড-সংক্রান্ত বিষয়ে যাদের আর্থিক সংশ্লেষ আছে, তাদের পরিচালনা পর্ষদ ও এসব কমিটিতে রাখা যাবে না। পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষভাবে বা কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে বোর্ডের সঙ্গে কোনো বিষয়ে চুক্তি করতে পারবেন না। কোনো শিক্ষা কোর্স বা পুস্তকে আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে– এমন কোনো ব্যক্তিকে বোর্ড পরিচালনা পর্ষদের সদস্য করা যাবে না।

আরও পড়ুন: পাবলিক পরীক্ষার জন্য আলাদা কেন্দ্র নির্মাণসহ ১১ প্রস্তাব

এতে আরও বলা হয়, বোর্ডের অনুমোদিত পুস্তক প্রকাশ, সংগ্রহ বা সরবরাহ করে–এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের অংশীদার বা অন্য কোনো উপায়ে আর্থিক স্বার্থ থাকা ব্যক্তিকেও এই আইনের অধীনে গঠিত কোনো কমিটির সদস্য করা যাবে না।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আইন হচ্ছে। এতে মহামারিকালে বা জরুরি অবস্থায় শিক্ষা বোর্ডগুলোকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, নতুন এ আইন কার্যকর হলে বাতিল হয়ে যাবে চার দশক আগের দুই অধ্যাদেশ। সেগুলো হলো- ‘দ্য ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১’ ও ‘দ্য রেজিস্ট্রেশন অব প্রাইভেট স্কুলস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬২’। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড যথাক্রমে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, যশোর, কুমিল্লা, সিলেট, বরিশাল, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বর্তমানে এ দুই আইনে পরিচালিত হচ্ছে।

৬ জেলায় রাতের মধ্যেই বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
অস্ট্রিয়ায় স্কলারশিপে স্নাতকোত্তরের সুযোগ নারী শিক্ষার্থী…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঝাড়খণ্ডে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বল প্রয়োগ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
জুলাই শহীদ ডা. কবিরুলের কন্যা এসএসসি উত্তীর্ণ, শুভেচ্ছা জান…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
সাবেক ছাত্রদল নেতাকে পেটালেন ইউএনও, থামালেন এসিল্যান্ড
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বস্ত্র অধিদপ্তরে বিভিন্ন গ্রেডে ৪২ পদে চাকরি, আবেদন ৬ সেপ্ট…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬