পুরনো আইনে প্রশ্ন ফাঁসে ৪ বছর, নকলে দুই—নতুন আইনে কত বছর হচ্ছে কারাদণ্ড?

০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৮ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © ফাইল ছবি

পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ও নকল প্রতিরোধে কঠোর শাস্তির বিধান আনতে যাচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকা ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০’ সংশোধন করে শাস্তির মাত্রা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রশ্ন ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে। পূর্বে এ অপরাদের জন্য চার বছরের শাস্তির বিধান ছিল।

জানা গেছে পাবলিক পরীক্ষা আইন-১৯৮০ জারির পর তা আংশিকভাবে সংশোধন করা হয়েছিল। সেই আই পরিবর্তন করে পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্ট-২০২৬ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। আইনটি পাসের জন্য আজ বৃহস্পতিবার সংসদে উত্থাপন করা হবে।

বর্তমান আইনে পরীক্ষার্থী না হওয়া সত্ত্বেও কেউ যদি অন্যের হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তাহলে তিনি দুই বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বে প্রশ্ন ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণ করলে চার বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

পুরনো আইনে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কেউ পরীক্ষা সংক্রান্ত কোন কিছু (এডমিটকার্ড, মার্কসিট, সার্টিফিকেট ইত্যাদি) বদল বা পরিবর্তন করলে চার বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত ভূয়া বা নকল (মার্কটিস, সার্টিফিকেট ইত্যাদি) তৈরী বা বিতরণ করলে চার বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

পাবলিক পরীক্ষা আইন-১৯৮০ এ বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত অপূরণকৃত ফরম বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়মত জমা না দিয়ে কাছে রাখলে তিনি দুই বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত উত্তরপত্রের পরিবর্তে অন্য কোন উত্তরপত্র বা অতিরিক্ত খালি পৃষ্ঠা সংযোজন করলে তিনি দুই বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা/উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

পাবলিক পরীক্ষায় কোন পরীক্ষার্থীকে নকলে সাহায্য করলে তিনি দুই বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। অননুমোদিত ব্যক্তি পরীক্ষা পরিচালনা বা উত্তরপত্র পরীক্ষা করলে তিনি দুই বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ব্যক্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কোন কর্তব্য ও দয়িত্বে নিয়োজিত থাকার পরও এই আইনের অধীনের কোন অপরাধ করলে তিনি পাঁচ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

আইনে আরও বলা হয়, কোন শিক্ষক বা ইনভিজিলেটর যদি পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন করে তার দুই বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। কোন পরীক্ষক উত্তরপত্র মূল্যায়নে অধিক নম্বর বা কম নম্বর দেয় তবে তার দুই বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধসমূহে লিপ্ত ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা হবে। 

এছাড়া ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতি পাঁচ বছরের শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেবা প্রদানকারী স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকলে এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হবে। কোন সংঘবদ্ধ চক্র পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস বা জালিয়াতি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হলে দশ বছর পর্যন্ত কারাদন্ডে দন্ডিত হবে।

পাহাড়ধসে ঝুঁকিতে লামার চাম্বি বিদ্যালয় ও কলেজের ৪ কোটি টাকা…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
‘বাকি সব সরকার পালিয়ে যায়, হারিয়ে যায়, কিন্তু বিএনপি সর…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক ২০২৫’ পেলেন শেকৃবির অধ্যাপক কাজী …
  • ১১ জুলাই ২০২৬
জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ইবি প্রশাসনের লাল ব্যাচ ধারণ কর্মসূ…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
সমাবর্তন না হওয়ায় টাকা ফেরত পেলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
দুর্যোগে স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে বললেন শিক…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence