দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এ বছর আরো ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। আজ রবিবার মিরপুরে প্রথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।
গত ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এতে মোট ২৪ লাখ এক হাজার ৫৯৭ জন আবেদন করেছেন। গত বছরের শেষদিকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সংসদ নির্বাচনের কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারী এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র। এরই মধ্যে আরও ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন।
সচিব বলেন, শীঘ্রই দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত নতুন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি নতুন বছরে আরো ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য অচিরেই নিরসন করা হবে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সরকার সকলের জন্য শিক্ষা দিতে পেরেছে। মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করা এখন সরকারের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্য নিশ্চিত করতে হলে দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ক্ষেত্র তৈরী করতে হবে। দুর্নীতিকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন বলেন, উন্নত জাতি গঠন করতে হলে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।প্রাথমিক শিক্ষাই হচ্ছে শিক্ষার মূলভিত্তি।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতে মেধাসম্পন্ন মানুষ তৈরির জন্য মায়েদের অপুষ্টি দূর করতে মাতৃত্বকালীন ভাতার ব্যবস্থা করেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্ননের সড়কে যেভাবে এগিয়ে চলছে তাতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আর বেশী সময়ের প্রয়োজন হবে না। তিনি বলেন,উন্নয়নের মূলভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। মানসম্মত প্রথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সর্বস্তরের কর্মকর্তা -কর্মচারীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এন ডি সি।