দুই সংগঠনের বিবৃতি

পাবজি-ফ্রি ফায়ারসহ অধিকাংশ গেম সন্ত্রাসী ধরনের হয়ে থাকে, নিষিদ্ধের আহবান

৩১ মে ২০২১, ০৯:৩৪ PM

© প্রতীকী ছবি

সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি ক্ষতিকর ভিডিও গেম নিষিদ্ধ ও এ সম্পর্কিত সেন্সরশিপ ব্যবস্থাসহ সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহবান জানিয়েছে তথ্য প্রযুক্তিবিদদের আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইনফরমেশন সিস্টেম অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশন (আইসাকা) ও বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিসিএ ফাউন্ডেশন)।

আজ  সোমবার (৩১ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানিয়েছে সংগঠন দুটি।

সংগঠন দুটি বলছে, ক্ষ‌তিকর দিক বি‌বেচনায় দেশে প্রচলিত স‌হিংস গেমগু‌লো বন্ধ করা যে‌তে পা‌রে, ত‌বে শুধু বন্ধ কর‌লেই সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হ‌বে না, সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরিতে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে সেরকম গল্প দিয়ে গেম তৈরির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে উৎসাহ দিতে হবে। মানসম্পন্ন গেম তৈরিতে গুরুত্ব দিলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদেরও নজরে পড়বে বাংলাদেশের গেম ইন্ডাস্ট্রি। একইসঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহারের গাইডলাইন তৈরির বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে সংগঠন দুটির নীতিনির্ধারকরা।

গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার পরামর্শ তুলে ধরা হয়। যৌথভাবে এ বিবৃতি দিয়েছেন আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টারের সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন ও সিসিএ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ। এতে পাবজি ও ফ্রি-ফায়ার গেমসহ ক্ষতিকর অন্যান্য সহিংস গেম নিষিদ্ধ করার পক্ষে মতামত দেওয়া হয়েছে।

সংগঠন দুটি বলছে, এখনকার তরুণদের খেলা প্রায় সব ভিডিও গেম সন্ত্রাসী ধরনের হয়ে থাকে। কীভাবে একজনকে মেরে একটি শহর দখল করা যায়, কীভাবে একটি জাতিকে শেষ করে দেওয়া যায়, তা তরুণেরা ভিডিও গেমস থেকে শিখছে। ফলে পাড়া-মহল্লায় কিশোর গ্যাং তৈরির মাধ্যমে সহিংস ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। এর থেকে পার পেতে হলে পরিবার ও রাষ্ট্রের বড় ভূমিকা রয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে কার্যকরী উদ্যোগ নিয়ে ‘সুস্থ সাইবার সংস্কৃতি’ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

ইন্টারনেট ব্যবহারের গাইডলাইন
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য কোনও গাইডলাইন এখনও তৈরি হয়নি। উন্নত দেশগুলোতে ইন্টারনেট ব্যবহার বিষয়ে গাইডলাইন আছে। বাংলাদেশেও এটি করতে হবে। ইন্টারনেটের অপব্যবহারের কারণে আমাদের সামাজিক সম্প্রীতির ঐতিহ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনলাইনের কারণে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখন যোগাযোগ খুবই কম হয়। সবাই নিজের মতো অনলাইনে ব্যস্ত থাকে। একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে ঠিকই কিন্তু তাদের প্রত্যেকের মনোযোগ অনলাইনে। পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ: গেম
বিএনপির ২১ নেতাকে সব পদ থেকে বহিষ্কার
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
‘নিরাপত্তা ইস্যুতে’ আগের ফেসবুক পেজ বন্ধ করল র‌্যাব, নতুন প…
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানি খাওয়ার অভ্যাস কতটা স্বাস্থ্যকর?
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ইলন মাস্কের ‘গ্রকিপিডিয়া’র তথ্য দেখাচ্ছে চ্যাটজিপিটির উত্তরে
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
গণভোট নিয়ে সরকারি প্রচারণার পরেও মানুষ কতটা বুঝতে পারছে?
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণায় সব ব্যাংক শাখায় ব্যানার ট…
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২৬