মোবাইলের মতো এক রেটে ইন্টারনেট হবে: জব্বার

১৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:৫৩ PM

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, মোবাইল কলরেটের মতো সারাদেশে একই মূল্যে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। ইন্টারনেট কানেকটিভিটির ব্যাকহোলের মূল্য তুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা জানান।

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ইন্টারনেট মৌলিক অধিকারের পর্যায়ে পড়ে জানিয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, মেক্সিকোর সংবিধানে ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমাদের এখানে ৮০ ভাগ ইন্টারনেট সেবা চলে যায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সেবাদানের ক্ষেত্রে এখনো কোনো ট্যারিফ রেট নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপারেটরগুলো ইচ্ছামতো দাম প্রয়োগ করতে পারে। ইন্টারনেটের দাম ও প্যাকেজের ভ্যালিডিটি ইচ্ছামতো করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখছি, ছয় জিবি ইন্টারনেট ভ্যালিডিটি মাত্র আট ঘণ্টা। আমি বুঝে নিয়েছি যে, এটা একমাত্র পর্ন দেখা ছাড়া আর কোনো কাজে লাগবে না। এখন কমপক্ষে তিনদিনের মধ্যে আসছে। আমি মনে করি, ট্যারিফ নির্ধারণ ও এই জায়গায় হস্তক্ষেপ করা খুবই জরুরি।

এতদিন বেসরকারিখাতে মাত্র দু’টি এনটিটিএন সারাদেশে ব্যান্ডউইথ বিতরণ করতো জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান-রেলওয়ে তাদের নিজস্ব কাজে এনটিটিএন হিসেবে কাজ করে, পিজিসিবি তাদের নিজস্ব কাজে ব্যবহার করে বাড়তি কিছু সংযোগ ব্যবহার করতে দেয়। বিটিসিএল যদি ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে অবস্থা অনেক উন্নত হতে পারতো। বিটিসিএলে শক্তি-সামর্থ্য কোনোটার ঘাটতি নেই, কেবল প্রশাসনিক ঘাটতি ছাড়া। এরইমধ্যে আমরা আরও একটি এনটিটিএনের লাইসেন্স দিতে পেরেছি।

‘ঢাকা থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত যে কানেকটিভিটি যাবে তার জন্য ব্যাকহোল ইন্টারনেট প্রাইসের সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু আমার বাড়ি তেঁতুলিয়া, সে কারণে আমার ইন্টারনেটের দাম বেশি হবে এটার যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ নেই। আমি তেঁতুলিয়া থেকে মোবাইলে যদি একরেটে কথা বলতে পারি তাহলে ইন্টারনেটে কেন একই রেট পাবো না?’

মন্ত্রী বলেন, বিটিসিএল’কে একরেটে সারাদেশে সেবা দিতে নিশ্চিত করেছি। ব্যাকহোল প্রাইস যদি একটু পরিবর্তন করা যেতে পারে তাহলে ইন্টারনেটের প্রাইস ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসবে। আমি এটা করতে না পারলেও ৫৮৭টি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াইফাই দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি, যা ২০২০ সালের মধ্যে চালু হয়ে যাবে। পাশাপাশি দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে ওয়াইফাইয়ের ব্যবস্থা করেছি।

গোটা দেশকে ইন্টারনেট কাভারেজের আওতায় আনার পরিকল্পনা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের ১২০৯টি ইউনিয়ন ছাড়াও আইসিটি বিভাগ থেকে ২৬০০ ইউনিয়নে কানেকটিভিটি দেওয়ার কাজ চলছে। ৭২৫টি দুর্গম অঞ্চলে সামাজিক নিরাপত্তা তহবিলের আওতায় সংযোগ দিচ্ছি। ২০২০ সালের শেষ নাগাদ দেশের কোনো ইউনিয়ন থাকবে না যা ফাইবার অপটিকের আওতার বাইরে থাকবে। এছাড়াও ৩১টি চর ও দ্বীপে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কানেকটিভিটি দেওয়া হচ্ছে।

মহাখালীতে সাততলা ভবনে আগুন
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
ইশতেহার দিয়ে বাস্তবায়ন না করতে পারার সংস্কৃতিতে ঢুকবে না …
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগ দিলেন ছাত্রদল নেতা বিদ্যুৎ চন্দ্র
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
এনসিপি তার ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর থাকবে
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
ভিক্টোরিয়া কলেজ কেন্দ্রে কুবি ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬