সিগারেটের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত © টিডিসি সম্পাদিত
রাজস্ব বাড়াতে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যে নতুন কর কাঠামো প্রণয়ন এবং দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা জানান তিনি।
অর্থ ও বাণিজ্যবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এ প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনটির পক্ষে প্রস্তাব তুলে ধরেন ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা। বক্তব্য দেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মানিক মুনতাছির প্রমুখ।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দেশে তামাকের দাম আশপাশের দেশগুলোর তুলনায় কম। সে কারণেই আমরা চেষ্টা করবো এখান থেকে রেভিনিউ বাড়ানোর জন্য ও নতুন করে কোনো কর কাঠামো করা যায় কি-না। এতদিন পর্যন্ত যেটা আমাদের ছিল যে আমরা চারটা লেয়ারে প্রাইস ঠিক করে দিয়েছি এবং ট্যাক্স কিন্তু আমরা এক্সট্রিম জায়গায় চলে গেছি। ৮৩ শতাংশ ট্যাক্স আছে।
তিনি বলেন, বিড়ির ক্ষেত্রে আপনারা বলেছেন যে এখানে বিড়ি এবং গুলে ব্যাপক ফাঁকি হয়। এটা আমরা সবাই জানি, আপনাদের সহযোগিতা লাগবে। এখানে বিড়ি শ্রমিকের সংখ্যা বেশি। আমরা যখনই এখানে একটু রেশনালাইজ করতে চাই সঙ্গে সঙ্গে একটা বড় নয়েজ হয়। এটা যদি আগে থেকে আপনারা একটু হেল্প করেন আমাদের তাহলে আমরা এই জায়গাটাতে ঠিকমতো অ্যাড্রেস করতে পারবো।
আবদুর রহমান খান আরও বলেন, আমরা প্রতি বছর তামাকের অ্যাডজাস্টমেন্ট করি। বিড়িতে এটাকে রেশনালাইজ করা এবং যৌক্তিক করার একটা কাজ আছে আমাদের। বাস্তবতা হলো আমরা অনেক সময় মনে করি যে ট্যাক্স বাড়িয়ে দিলে জাল-জালিয়াতি বেড়ে যায়। আসলে কম হলেও জাল-জালিয়াতি হয়। দুনিয়াব্যাপী একটা প্রবণতা আছে যে ট্যাক্স না দিয়ে কেমন করে থাকা যায়। আমাদের রেশনালাইজ করতে হবে এবং আমরা সেই চেষ্টা করবো। আর নকলের বিরুদ্ধেও আমরা বড় কাজ করা শুরু করছি। আমরা মডার্ন টেকনোলজি ইউজ করে সিগারেট প্যাকেটগুলোর স্ট্যাম্প যাচাই করতে পারি।